কলম্বিয়ার একজন ক্রীড়াবিদ পারা অ্যাথলেটিক্সে ঝড় তুলেছেন। তিনি ২০15 সালে তার ভাই ব্রাইডারের অনুপ্রেরণায় এই যাত্রা শুরু করেন, যিনি একজন ক্রীড়াবিদও ছিলেন। তার নিষ্ঠা এবং কঠোর পরিশ্রম তার কর্মজীবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এনে দিয়েছে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2020 | 400m - T13 | 4 |
| 2020 | 100m - T13 | 11 |
তার স্মরণীয় মুহূর্তগুলির মধ্যে একটি হলো কিছুদিন আগে জাপানের কোবেতে ২০২৪ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে T13 400 মিটার ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জিতে নেওয়া। এই অর্জন তার দক্ষতা এবং দৃঢ়সংকল্পের প্রমাণ।
২০19 সালে, কলম্বিয়ার ক্রীড়া সাংবাদিকদের সংগঠন (ACORD) তাকে T13 পারা অ্যাথলেট অফ দ্য ইয়ার এর খেতাব প্রদান করে। তিনি কলম্বিয়ার সিসার জেলার পারা অ্যাথলেট অফ দ্য ইয়ার খেতাবও দুইবার (২০17 ও ২০18 সালে) পেয়েছিলেন।
তার মা তার জীবন ও ক্যারিয়ারে একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিলেন। তার প্রিয় হিরো হলেন আমেরিকান স্প্রিন্টার মাইকেল জনসন। এই প্রভাবগুলি তার প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে তার পদ্ধতিটিকে আকৃতি দিয়েছে।
তিনি নিজেকে এক অনন্য দর্শনে বর্ণনা করেন: "আমি একজন সাইবর্গ, 'রোবোকপ'।" এই মানসিকতা তার স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ়সংকল্প প্রতিফলিত করে। ভবিষ্যতে, তিনি প্যারালিম্পিক গেমসে স্বর্ণপদক জেতার লক্ষ্য রেখেছেন, যা তার আকাঙ্ক্ষা এবং সম্ভাবনার প্রমাণ।
তিনি আলোনসো মিনা গার্সিয়ার পরামর্শে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন, যিনি তাকে তার ক্লাব, Valle del Cauca এবং জাতীয় পর্যায়ে কোচিং করেন। এই কোচিং সম্পর্ক তার দক্ষতা নিখুঁত করে তোলার এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য তাকে প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
এথলেটিক্সের বাইরে, তিনি সিনেমা দেখতে পছন্দ করেন। এই শখ তাকে প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার কঠোর পরিশ্রম থেকে বিশ্রাম নিতে সাহায্য করে।
এই ক্রীড়াবিদের ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় আন্তর্জাতিক সফলতা অর্জনে যাত্রা নিষ্ঠা এবং কঠোর পরিশ্রমের একটি গল্প। তার কোচ এবং পরিবারের চলমান সমর্থনের মাধ্যমে, তিনি পারা অ্যাথলেটিক্সে আরও উচ্চতায় পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত।