খেলাধুলার জগতে, কয়েকজন খেলোয়াড়ই একাধিক শাখায় সাফল্য অর্জন করতে সক্ষম হন। এমন একজন খেলোয়াড় হলেন কুয়েত ডিসেবল্ড স্পোর্টস ক্লাবের একজন সদস্য। তিনি ২০13 সাল থেকে হুইলচেয়ার বাস্কেটবল এবং অ্যাথলেটিক্সে সক্রিয়। তার যাত্রা শুরু হয়েছিল 14 বছর বয়সে এবং তখন থেকে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে কুয়েতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তিনি কুয়েত হুইলচেয়ার বাস্কেটবল দলের অংশ ছিলেন। দলটি ২০14 এবং ২০২২ সালে এশিয়ান পারা গেমসে অংশগ্রহণ করেছিল। অ্যাথলেটিক্সের প্রতি তার নিষ্ঠা আরও উজ্জ্বল হয় তার ২০17 সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে T54 5000মিটার ইভেন্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে, যেখানে তিনি চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিলেন।
তার প্রশিক্ষণের তত্ত্বাবধান করেন জাতীয় কোচ অবু রায়েন বেলকির এবং নীজার রমাদান। একজন খেলোয়াড় হিসেবে তার বিকাশে তাদের নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তার প্রশিক্ষণের রুটিন তার দর্শনের প্রতিফলন: "কঠোর পরিশ্রম ভাল ফলাফল আনে।"
তিনি তার পরিবার এবং বন্ধুদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পান। ফরাসি ফুটবলার জিনেদিন জিদান তার নায়ক। এই প্রভাবগুলি তার খেলাধুলা এবং জীবনের দৃষ্টিভঙ্গীকে আকৃতি দিয়েছে।
ভবিষ্যতে, তিনি পারা অলিম্পিক গেমসে পদক জিততে চান। এই লক্ষ্য তাকে তার সীমা অতিক্রম করতে এবং তার খেলাধুলার ক্ষেত্রে সেরাটা করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করে।
তার যাত্রা নিষ্ঠা এবং কঠোর পরিশ্রমের প্রমাণ। যখন তিনি প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাবেন, তখন তিনি তার স্বপ্ন পূরণ করার এবং তার দেশকে গর্বিত করার জন্য নিবেদিত থাকবেন।