কায়রোতে ১৭ বছর বয়সে খেলার যাত্রা শুরু করে মিশরীয় পাওয়ারলিফটার, ২০17 সালে তার অভিষেকের পর থেকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। তিনি প্রথমবারের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে মিশরের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। পাওয়ারলিফটিংয়ে তার প্রবেশ ছিল সৌভাগ্যবশত। আট বছর বয়সে, একজন কোচ তাকে লক্ষ্য করেছিলেন এবং তার দলে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2020 | Women's 61kg | 4 |
তাকে জাতীয় কোচ শাবান এল দিশুকি, হানি মাহমুদ এবং মোহাম্মদ ইজ্জাত নেতৃত্ব দিয়েছেন। কোচ শাবান এল দিশুকি তার কর্মজীবনে একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছেন। তিনি মিশরীয় পারা পাওয়ারলিফটার শেরিফ ওসমান এবং ফাতমা ওমারকেও তার নায়ক হিসেবে বিবেচনা করেন।
তিনি কায়রোর আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনে পড়াশোনা করেছেন। আরবি ছাড়াও, তিনি ইংরেজিতে পারদর্শী, যা তাকে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।
তার ব্যক্তিগত দর্শন সহজ কিন্তু শক্তিশালী: "দৃঢ়সংকল্প বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস।" এই মানসিকতা তাকে পাওয়ারলিফটিংয়ে সাফল্য অর্জন করতে এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে প্রেরণা দিয়েছে।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তিনি ২০২৪ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত প্যারালিম্পিক গেমসে স্বর্ণ জয়ের লক্ষ্য রেখেছেন। এই লক্ষ্য খেলার প্রতি তার নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে। কায়রোর রাস্তায় একটি সুযোগের সাথে তার পরিচয় থেকে প্যারালিম্পিক স্বর্ণের লক্ষ্যে তার যাত্রা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।
তার গল্প অক্ষম ব্যক্তিদের উপর খেলার রূপান্তরকরী প্রভাবকে জোর দেয়। এটি তুলে ধরে যে দৃঢ়সংকল্প এবং সঠিক নির্দেশনা অসাধারণ সাফল্যের দিকে পরিচালিত করতে পারে।