কাতসুমি, আমনার দুরন্ত গোল, সুপারকাপে এগোল ইস্টবেঙ্গল

ইস্টবেঙ্গল টিডি হিসাবে নতুন ইনিংস শুরু করে প্রথম ম্যাচেই জয় পেলেন সুভাষ ভৌমিক। দায়িত্ব নেওয়ার পর সুপার কাপই সুভাষের প্রথম বড় টুর্নামেন্ট। আর সেই প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসি-কে বাড়ির রাস্তা দেখাল সুভাষের দল। হাড্ডা-হাড্ডি ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল জয় পেল ২-১ গোলে।

কাতসুমি, আমনার দুরন্ত গোল, সুপারকাপে এগোল ইস্টবেঙ্গল

লাল-হলুদের এই জয় এল কাতসুমি ও আমনার দু'টি অনবদ্য গোলে। ভূবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে এদিন ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই গোল করে এগিয়ে যায় মুম্বই সিটি এফসি। ফ্রি-কিক থেকে আচিলে এমানা গোল করে মুম্বই-এর দলকে এগিয়ে দেন। কিন্তু, এর চার মিনিটের মধ্যেই হেড থেকে দুরন্ত গোল করে সমতা ফেরান ইস্টবেঙ্গলের কাতসুমি।

এরপর দু'দলই একাধিক গোলের সুযোগ তৈরি করলেও তা ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোলপোস্টে ঢোকেনি। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু হওয়ার পর ৭৩ মিনিটের মাথায় ইস্টবেঙ্গলের সিরিয়ান স্ট্রাইকার আমনা গোল করে ব্যবধান বাড়ান। এই গোলের পর মুম্বই সিটি এফসি খেলা থেকে প্রায় হারিয়েই যায়। হাজারো চেষ্টা করেও মুম্বই দলের ফুটবলাররা ইস্টবেঙ্গলের গোলে বল ঢোকাতে পারেননি। এই জয়ের সুবাদে সুপারকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে চলে গেল লাল-হলুদ।

মুম্বই দলের ক্যামেরন ফুটবলার আচিলে এমানার গোলটা ছিল দেখার মতো। ইস্টবেঙ্গলের এডওয়ার্ডো অযথা বক্সের মধ্যে মুম্বই-এর টাভোরার সঙ্গে চ্য়ালেঞ্জ নিতে গিয়ে গোলমুখের গার্ড থেকে সরে দাঁড়ান। আর এই সুযোগের সদ ব্যবহার করেন এমানা। ওই ফাঁক দিয়েই ইস্টবেঙ্গেলর গোলপোস্টের নিচে থাকা উবেইদকে বোকা বানিয়ে জালে বল ঢুকিয়ে দেন।

যদিও, মুম্বই-এর এগিয়ে যাওয়ার উচ্ছ্বাস বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। কারণ, রালতে-র এক অসাধরণ ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে ইস্টবেঙ্গলের কাঙ্খিত গোলটি এনে ম্যাচে সমতা ফেরান কাতসুমি। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টেবঙ্গল যে গোলটি পায় তাতেও রালতের অবদান ছিল। মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বল নিয়ে মুম্বইয়ের গোল লক্ষ্য করে অসাধারণ শট নিয়েছিলেন রালতে। মুম্বই-এর গোলকিপার অমরিন্দর কোনও মতে ফিস্ট করে বলটি বাইরে ঠেলার চেষ্টা করেন। সামনেই ছিলেন আমনা। মুম্বই-এর গোলে বল ঠেলতে তিনি কোনও ভুল করেননি।

এদিন, ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচের পুরো পরিকল্পনাই করেন সুভাষ। খালিদ ছিলেন বলতে গেলে শুধুমাত্র নিরব দর্শকের মতো। আইলিগে ব্যর্থতার পরই সুভাষকে টিডি করে নিয়ে আসা হয়েছে ইস্টবেঙ্গলে। কিন্তু, এই নিয়ে খালিদের অনেক গোঁসা। মাঝে দুই কোচ নিয়ে ঝামেলা মেটানোর চেষ্টা হয়। কিন্তু, সুপারকাপের পরিস্থিতি যা তাতে দেখে মনে হচ্ছে না টিডি ও কোচের মধ্যে কোনও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান সম্ভব। তবে, সন্দেহ নেই টিডি হিসাবে সুভাষ ইস্টবেঙ্গলে তাঁর নয়া ইনিংস ভালমতোই শুরু করলেন।

Story first published: Friday, April 6, 2018, 8:03 [IST]
Other articles published on Apr 6, 2018
+ আরও
POLLS

পান মাইখেল-এর ব্রেকিং নিউজ অ্যালার্ট
mykhel Bengali