আই লিগ ২০১৮-১৯, পুরনো দলের বিরুদ্ধে কিসেকার গোল, তাও গোকুলাম জয় অধরা সবুজ মেরুনের,

গোকুলাম এফসি যেন ক্রমশ গাঁট হয়ে দাঁড়াচ্ছে মোহনবাগানের সামনে। গত আই লিগে একটি ম্যাচে জয় পেয়েছিল গোকুলাম, আরেকটি ছিল অমিমাংসিত। এই বারেও কেরলের দলটির বিরুদ্ধে হেনরি কিসেকার গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৭২ মিনিটে লালচাওয়ানকিমার আত্মঘাতি গোলে ১-১ ফলে ম্যাচ অমিমাংসিতই রাখতে হল। ফলে প্রথম ম্যাচ থেকে ১ পয়েন্টের বেশি এল না সবুজ মেরুন শিবিরে।

এবারেও গোকুলাম জয় হল না সবুজ মেরুনের

কোঝিকোড়ে জমজমাট উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটিতে দুই অর্ধে দুই দল প্রাধান্য দেখাল। প্রথমার্ধ যদি মোহনবাগানের দখলে থাকে তাহলে দ্বিতীয়ার্ধে খেলল গোকুলাম এফসি।

এদিন মোহনবাগানের গোলে খেলেননি অধিনায়ক শিলটন পাল। বদলে শঙ্কর রায়কে তিন কাঠির নিচে খেলান কোচ শঙ্করলাল। আক্রমণ ভাগে রেখেছিলেন দিপান্ডা ডিকা ও হেনরি কিসেকাকে। এদিন আই লিগে অভিষেক হয় কলকাতা লিগে ভাল খেলা পিন্টু মাহাতোরও।

এদিন ম্যাচের শুরুতেই অবশ্য গোল পেয়ে যেতে পারত গোকুলাম। আন্তোনিও জার্মানের ক্রস থেকে মুদ্দে মুসা মোহনবাগানের ৬ গজের বক্সের মধ্য থেকে গোল লক্ষ্য করে জোরালো শট নিয়েছিলেন। কিন্তু গোল লাইনের দাঁড়িয়ে তা ব্লক করে নিশ্চিত গোল বাঁচান লালচাওয়ানকিমা।

এরপরই খেলাটা ধরে নিয়েছিল মোহনবাগান। গোকুলাম বক্সে একের পর এক আক্রমণ শানিয়েছেন দিপান্ডা, কিসেকা, ওমররা। পাল্লা দিয়ে ভাল খেলছিলেন পিন্টুও। কিন্তু ১৮ মিনিটের মাথায় দিপান্ডার থ্রু বল ধরে গোকুলাম গোলকিপারের সঙ্গে একের বিরুদ্ধে এক অবস্থাতেও বল প্রথম পোস্টে মারেন।

এরপর ৪ মিনিটে ফের দিপান্ডা একটি দারুণ বল বাড়িয়েছিেলন কিসেকার জন্য। কিসেকা বলটি শিবিনরাজের মাথার উপর দিয়ে লব করেন। কিন্তু ঠিক গোলে ঢোকার মুখে বলটি ক্লিয়ার করেন অভিষেক দাস।

প্রথমার্ধে বেশিরভাগ সময় খেলা হয়েছে গোকুলামের অর্ধেই। রক্ষণ জমাট রাখআতেই বেশি মন দিয়েছিল কেরলের দলটি। কিন্তু তাদের প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে তাদেরই প্রাক্তন ফুটবলার কিসেকার গোলে। বক্সের ডানপ্রান্ত থেকে ফঅরিকিক পেয়েছিল মোহনবাগান। কিসেকার জন্য একেবারে নিখুঁত হল তুলেছিলেন অরিজিত বাগুই। তাতে মাথা ছুঁইয়ে গোল করে যান উগান্ডান ফরোয়ার্ড। ১-০ ফলেই শেষ হয়েছিল প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতেই শুরু করেছিল গোকুলাম এফসি। তবে ধীরে ধীরে খোলস ছাড়িয়ে বেরোতে শুরু করে কেরলের দলটি। গানি নিগমকে তুলে নামানো হয় এস রাজেশকে। তাতে তাদের আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বেড়েছিল। বাগানের খেলোয়াড়রা নিচে নেমে আসতে বাধ্য হন।

তবে এরমধ্যেও ৬৩ মিনিটে নিজের ও দলের গোল সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল কিসেকার কাছে। ব্রিত্তোর ক্রস থেকে তিনি হেড করলেও বল গোলে রাখতে ব্যর্থ হন।

উল্টোদিকে মোহন ডিফেন্সকে ব্যস্ত রেকেছিলেন অর্জুন জয়রাজ। ৭১ মিনিটে মারাত্মক ভুল করে বসেন লালচাওয়ানকিমা। জয়রাজেরই একটি গোলমুখি শট ক্লিার করতে গিয়ে তা তিনি ঠেলে দেন নিজেদের গোলেই। ফলে ম্যাচে সমতা ফিরে আসে।

এরপর ৭৩ মিনিটে রাজেশ গোকুলামকে গোল করে প্রায় এগিয়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্দান্তভাবে শঙ্কর তা ফিস্ট করে বের করে দেন। বিপদ বুঝে ওমরকে তুলে অভিজ্ঞ মেহতাব হপসেনকে নামান শঙ্করলাল। কিন্তু ততক্ষণে জয়ের গোলের জন্য মোহনবাগামন রক্ষণে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল গোকুলাম।

তবে ম্যাচের একেবারে শেষে দুই দলই গোলের জন্য ঝাঁপানোয় দারুণ জমে ওঠে ম্যাচ। কিন্তু কেউই কাঙ্খিত গোল পায়নি। ফলে ১-১ ফলে অমিমাংসিত ভাবেই সেষ হয় আইলিগের এই মরশুমের তৃতীয় ম্যাচ।

For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    Story first published: Saturday, October 27, 2018, 19:37 [IST]
    Other articles published on Oct 27, 2018
    + আরও
    POLLS

    পান মাইখেল-এর ব্রেকিং নিউজ অ্যালার্ট
    mykhel Bengali

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Mykhel sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Mykhel website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more