মোহনবাগানের সংসার সুখের নয়, কর্তাদের বিভেদ চলে আসছে সামনে

Posted By: Debalina

বাগানের সুখের সংসারে কারোর বোধহয় নজর পড়েছে। গত মরশুমে কোনও ট্রফি পায়নি বাগান। এ মরশুমেও কলকাতা লিগে রানার্স হয়েই থাকতে হয়েছে। এ মরশুমে একমাত্র ট্রফি বলতে শুধু সিকিম গভর্নর্স গোল্ড কাপ। এ হেন অবস্থায় সামাণ্য সমস্যাও গুরুতর হয়ে উঠছে।

বাগানের সংসার সুখের নয়, কর্তাদের বিভেদ চলে আসছে সামনে

সঞ্জয় সেনকে ব্যর্থ কোচের তকমা পড়িয়ে দেওয়া হয় শুধুমাত্র পরপর কয়েক ম্য়াচে ড্র করার পর। আর এমনই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়, যে পদ থেকে নিজেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন চেতলার সঞ্জয় সেন।

মরশুমের শুরুর সময় বোঝা যায়নি যে কয়েকটা মাস যেতে না যেতে সবুজ-মেরুণের রঙে একরম ফিকে পড়বে। কোচ সঞ্জয় সেন অত্যন্ত অপমান নিয়ে মাঠ ছেড়ে বিদায় নিয়েছেন। এবার সামনে চলে এল বাগানের ঘরোয়া বিভেদ। অঞ্জন মিত্র জানিয়েছেন যেভাবে সঞ্জয় সেনকে বিদায় জানানো হয়েছে তাতে আদৌ খুশি নন তিনি। শেষ ম্যাচে যেদিন ঘরের মাঠে মোহনবাগান চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরেছিল, সেদিনই পদত্যাগ করেছিলেন সঞ্জয় সেন। এদিকে সেদিন বাগানের অন্যতম সফল কোচের গায়ে পড়েছিল থুতু, ছোঁড়া হয়েছিল ইঁট। অঞ্জন পরিষ্কার জানিয়েছেন কোনওভাবেই এই অসম্মান পাওয়া উচিত ছিল না। এখানেই থামেননি অঞ্জন তিনি পরিষ্কার জানিয়েছেন তিনি সেদিন উপস্থিত থাকলে এই ফলাফল হত না।

একের পর এক তোপ দেগেছেন অঞ্জন মিত্র। তিনি বলেছেন মোহনবাগানের প্রাক্তন কোচ সঞ্জয় সেনকে দলের ভিতর থেকেই পদত্যাগ করার জন্য বাধ্য করা হয়েছিল। অঞ্জন মিত্রের মতে দলের কোনও হেভিওয়েট কর্তার অঙ্গুলিহেলনেই এ ধরণের ঘটনা ঘটানোর সাহস পেয়েছেন কিছু সমর্থক।

অঞ্জন মিত্র বলেছেন, 'সঞ্জয় সেনকে পদত্যাগ করানোর জন্য ক্লাবের ভিতর থেকেই বিক্ষোভ তৈরি করা হয়েছিল। এর পিছনে দলের এক হেভিওয়েট মাথা রয়েছে। গ্যালারি থেকে কারা থুতু দিয়েছিল এবং ঢিল ছুঁড়েছিল, তাদের খুঁজে বের করা হচ্ছে। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানামাত্রই তাদের সদস্যপদ বাতিল করা হবে।' এর পাশাপাশি তিনি এও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কোনও কর্তার হাত ধরলেও তার বা তাদের নিস্তার নেই।

এদিকে সঞ্জয় সেনের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন অঞ্জন মিত্র। তাঁর সঙ্গে হওয়া ব্যবহারের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন তিনি। আসলে অঞ্জন মিত্রের সঙ্গে মোহনবাগানের বেশ কিছুদিন ধরেই একটা বিভেদ তৈরি হচ্ছে। সরাসরি কিছু না বললেও
বাগান অন্দরমহল সূত্রের খবর তাঁরা চাইছেন না অঞ্জন মিত্র পদে থাকুন। সেই বিভেদটা যে এখনও মেটেনি, সেটাই এই ঘটনার প্রমাণ।

Story first published: Saturday, January 6, 2018, 13:15 [IST]
Other articles published on Jan 6, 2018
+ আরও
POLLS

পান মাইখেল-এর ব্রেকিং নিউজ অ্যালার্ট
mykhel Bengali