২০১২ ও ২০১৬ সালের অলিম্পিক গেমসে ফ্রিস্টাইল কুস্তিতে অংশগ্রহণের জন্য পরিচিত তুর্কি অ্যাথলেট ইবো, তার ক্রীড়া জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছেন। ২০১৪ সালে, একজন জাতীয় কুস্তি শিবিরে তার প্রশিক্ষকের উৎসাহে তিনি পারা জুডো গ্রহণ করেন। দৃষ্টিহীন জুডো শিবিরের কাছাকাছি থাকা এই পরিবর্তনের সূচনা করে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2016 | Men's 100kg | 7 |
একটি জাতীয় কুস্তি শিবিরে, ইবোর প্রশিক্ষক কাছাকাছি দৃষ্টিহীন জুডো শিবিরটি লক্ষ্য করেন। জুডো প্রশিক্ষকরা ইবোর দৃষ্টিশক্তির অভাব সম্পর্কে অবগত থাকায় তাকে এই খেলাটি চেষ্টা করে দেখার পরামর্শ দেন। এই উৎসাহেই তিনি পারা জুডো গ্রহণ করেন।
জাতীয় প্রশিক্ষক হালদুন এফেমগিলের পরিচালনায় ইবো পারা জুডোতে কঠোর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন। কুস্তিতে তার পটভূমি তার নতুন খেলাটির জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করে। কুস্তির দক্ষতা এবং শৃঙ্খলা তার জুডো প্রশিক্ষণে উপকারী হয়েছে।
ইবো মূলত তুর্কি ভাষায় যোগাযোগ করেন। এটি তাকে তার প্রশিক্ষক এবং সহকর্মীদের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করেছে, দক্ষ প্রশিক্ষণ সत्र এবং কৌশলগুলিকে আরও ভালোভাবে বোঝা নিশ্চিত করে।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ইবো পারা জুডোতে সাফল্য অর্জন অব্যাহত রাখার লক্ষ্য রাখছেন। আগামী প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় খেলার প্রতি তার অভিযোজন এবং তার প্রশিক্ষকের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কুস্তি থেকে পারা জুডো পর্যন্ত তার যাত্রা তার অভিযোজন এবং দৃঢ়সংকল্প প্রদর্শন করে।
ইবোর গল্প হল দৃঢ়তার এবং অভিযোজনের গল্প। অলিম্পিকে প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে একটি নতুন খেলা গ্রহণ করে, তিনি দৃঢ়সংকল্প এবং দক্ষতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছেন।