‘জলের রোডিও অশ্বারোহী’ নামে পরিচিত পেও দাস আগুয়াস, প্যারা ক্যানোয়িংয়ের জগতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন। তার যাত্রা শুরু হয় ২০13 সালে ব্রাজিলের লন্ড্রিনার আইএটি ক্লাবে। তিনি সাঁতার কাটার সময় ক্যানোয়ারদের দেখে এই খেলায় আগ্রহী হন। তিনি কোচের সাথে যোগাযোগ করেন এবং দ্রুত ক্যানোয়িংয়ের প্রতি আকৃষ্ট হন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2016 | Kayak Single 200m - KL2 | 9 |
পেও মার্কিন বক্সার মুহাম্মদ আলী এবং ব্রাজিলীয় কায়াকার গেলসন মোরিরা সোজা থেকে অনুপ্রেরণা পান। এই ব্যক্তিত্বগুলি তার খেলার প্রতি এবং জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। তার নিবেদন ও কঠোর পরিশ্রমের ফলে তিনি স্বীকৃতি ও পুরস্কার অর্জন করেছেন।
২০18 এবং ২০২২ সালে ব্রাজিলীয় প্যারালিম্পিক কমিটি থেকে তিনি ‘প্রেমিও প্যারালিম্পিকো’ পুরস্কার গ্রহণ করেন সেরা ক্যানোয়িস্ট হিসেবে। এই পুরস্কারগুলি প্যারা ক্যানোয়িংয়ের প্রতি তার দক্ষতা এবং নিবেদনের প্রমাণ। তার সাফল্য তাকে ব্রাজিলীয় ক্রীড়ার একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।
খেলার বাইরে, পেও রোডিও দেখতে পছন্দ করেন। তিনি তার স্ত্রী ফার্নান্দা এবং তাদের ছেলে জোয়াকিমের সাথে থাকেন, যার জন্ম ২০২৩ সালে হয়। তিনি পর্তুগিজ ভাষা বলেন এবং লন্ড্রিনার আইএটি ক্লাবে প্রশিক্ষণ নিতে থাকেন।
ভবিষ্যতে, পেও প্যারালিম্পিক গেমসে পদক জেতার লক্ষ্য রাখেন। এই লক্ষ্য তাকে তার সীমা অতিক্রম করতে এবং তার খেলায় সফলতার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাতে প্রেরণা দেয়।
পেও তার পরিবারের খামারে একটি সামাজিক প্রকল্প পরিচালনা করেন, যেখানে অক্ষম অশ্বারোহীদের জন্য বিনামূল্যে অশ্বারোহণ ক্লাস দেওয়া হয়। এই উদ্যোগটি তার সামাজিক প্রতিশ্রুতি এবং খেলার মাধ্যমে অন্যদের সমর্থন করার ইচ্ছার প্রতিফলন।
পেও দাস আগুয়াসের একজন পেশাদার বুল রাইডার থেকে একজন সমাদৃত প্যারা ক্যানোয়িস্টে পরিণত হওয়ার যাত্রা অনুপ্রেরণাদায়ক। তার নিবেদন, সাফল্য এবং সামাজিক অবদান তাকে ব্রাজিলীয় ক্রীড়ার একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বে পরিণত করেছে।