লুইজ হেনরিক বার্বোসা দা সিলভা তার স্ত্রীর জীবনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছেন, যিনি ব্রাজিলের নaurু ক্লাবের হয়ে প্রতিযোগিতা করেন। পর্তুগিজ ভাষায় পারদর্শী, তিনি ২০০৫ সালে সাঁও পাওলোতে ব্রাজিলের হয়ে অভিষেকের পর থেকে লুইজ হেনরিক বার্বোসা দা সিলভা এবং এডভান্দ্রো জাভিয়ার ওলিভেরা জুনিয়রের দ্বারা নির্দেশিত এবং প্রশিক্ষিত।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | 100m - T11 | S রুপো |
| 2012 | 200m - T11 | S রুপো |
| 2020 | 100m - T11 | B ব্রোঞ্জ |
| 2020 | 200m - T11 | B ব্রোঞ্জ |
| 2008 | 200m - T11 | B ব্রোঞ্জ |
| 2016 | 100m - T11 | 5 |
| 2008 | 100m - T11 | 5 |
| 2016 | 200m - T11 | 7 |
| 2012 | 400m - T12 | DSQ |
তার ক্যারিয়ার চ্যালেঞ্জ ছাড়া ছিল না। কাতারের দোহায় ২০১৫ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সময় তিনি তার ডান থাইয়ে আঘাত পান। এই আঘাতটি একটি উল্লেখযোগ্য বাধা ছিল তবে তার এথলেটিক লক্ষ্য অর্জন থেকে তাকে বিরত রাখতে পারেনি।
তার সবচেয়ে স্মরণীয় অর্জনগুলির মধ্যে রয়েছে পেরুর লিমায় ২০১৯ সালের প্যারাপান আমেরিকান গেমস এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ২০১৯ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ উভয়তে সোনা জয়। এই জয়গুলি তার ক্যারিয়ারের মধ্যে উজ্জ্বলতম মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত।
তার স্বামী লুইজ হেনরিক বার্বোসা দা সিলভা তার নির্দেশক এবং প্রশিক্ষক উভয় ভূমিকাতেই অভিনয় করেছেন। এই দ্বৈত ভূমিকা তার সমগ্র কর্মজীবনে তাকে ধারাবাহিক সমর্থন এবং নির্দেশনা প্রদান করেছে। তদতিরিক্ত, গ্যাব্রিয়েল আপারিসিডো ডস সান্তোস গার্সিয়াও তার নির্দেশক হিসেবে কাজ করেছেন।
তিনি এই দর্শন অনুসারে বেঁচে আছেন যে জয় এবং পরাজয় উভয় ক্ষেত্রেই শ্রদ্ধাশীল হতে শিখতে হবে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তিনি ২০২৪ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত প্যারালিম্পিক গেমসে সোনা জয়ের লক্ষ্য রেখেছেন। এই আকাঙ্ক্ষা তাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করে।
১৯ বছর বয়সে এথলেটিক্স শুরু করে আন্তর্জাতিক সাফল্য অর্জনের তার যাত্রা তার সমর্পণ এবং স্থিরতার প্রমাণ। তার প্রশিক্ষক এবং নির্দেশকদের কাছ থেকে निरंतर সমর্থন পেয়ে, তিনি আগামী প্যারালিম্পিক গেমসের জন্য তার লক্ষ্যে মনোনিবেশ করে আছেন।