দক্ষিণ কোরিয়ার একজন পারা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়, যিনি তার খেলায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন, তার যাত্রা শুরু করেছিলেন ২০০২ সালে। তিনি গিওংনাম সামাজিক কল্যাণ কেন্দ্রের জিমে, যেখানে তিনি কাজ করতেন, পারা ব্যাডমিন্টন খেলাটি আবিষ্কার করেন। তখন থেকেই খেলা প্রতি তার নিষ্ঠা অটুট রয়েছে।

তার সবচেয়ে স্মরণীয় সাফল্যগুলির মধ্যে একটি হল ২০14 সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচোনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান পারা গেমসে সোনা জয় করা। এই জয় তার কঠোর পরিশ্রম এবং খেলায় তার অধ্যবসায়ের প্রমাণ।
তিনি কোরিয়ান পারা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় শিম জে-ইউল থেকে অনুপ্রেরণা পান। অতিরিক্তভাবে, কোচ ইউ হং-ইউল তার ক্যারিয়ারের উপর একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছেন। তাদের নির্দেশনা এবং সমর্থন তার একজন খেলোয়াড় হিসেবে বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
পারা ব্যাডমিন্টন ছাড়াও, তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় হুইলচেয়ার কার্লিংয়েও অংশগ্রহণ করেছেন। এটি তার বহুমুখীতা এবং একটি শৃঙ্খলা ছাড়াও খেলাধুলা প্রতি তার ভালোবাসার পরিচয় দেয়।
তার ব্যক্তিগত দর্শন হল "শেষ পর্যন্ত সর্বোত্তম চেষ্টা করুন"। এই মানসিকতা তাকে চ্যালেঞ্জগুলির মধ্য দিয়ে ধাক্কা দেয় এবং उत्कृष्टতার জন্য লড়াই করে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে তিনি প্যারালিম্পিক গেমসে পদক জিততে চান এবং শেষ পর্যন্ত একজন কোচ হয়ে উঠতে চান, ভবিষ্যতের খেলোয়াড়দের সাথে তার জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার জন্য।
তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার চাংওয়নের চাংশিন বিশ্ববিদ্যালয়ে শারীরিক শিক্ষা অধ্যয়ন করেছেন। তার একাডেমিক পটভূমি তার ক্রীড়া জীবনের পরিপূরক, খেলাধুলা বিজ্ঞান এবং শারীরিক প্রশিক্ষণে তার একটি দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে।
বর্তমানে তাকে ক্লাব স্তরে হাম হায়ো জিন এবং জাতীয় স্তরে পার্ক জং কুক কোচিং দিচ্ছেন। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ডেগু শহুরে উন্নয়ন কর্পোরেশনকে প্রতিনিধিত্ব করেন, যেখানে তিনি প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান।
খেলাধুলার বাইরে, তিনি বিলিয়ার্ড এবং মাছ ধরা উপভোগ করেন। এই শখগুলি তার চাপের মধ্যে শিথিলতা এবং ভারসাম্য প্রদান করে।
এই খেলোয়াড়ের পারা ব্যাডমিন্টন আবিষ্কার থেকে উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জনের যাত্রা নিষ্ঠা এবং স্থিতিস্থাপকতার উদাহরণ। প্যারালিম্পিক পদক জিততে এবং কোচিংয়ে রূপান্তরিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, খেলাধুলায় তার ভবিষ্যৎ আশাব্যঞ্জক।