২০১৫ সালে, তামিলনাড়ুর একজন ক্রীড়াবিদ ভারতের হয়ে তার অভিষেক করেছিলেন। তার শারীরিক শিক্ষা শিক্ষকের উৎসাহে, তিনি তার স্কুল জীবনে ক্রীড়ায় অংশগ্রহণ শুরু করেন। তার নিবেদন এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলস্বরূপ, ২০16 সালে তিনি প্যারালিম্পিক গেমসে স্বর্ণপদক জয়ী হওয়ার মাধ্যমে ভারতের প্রথম উচ্চতার জাম্পার হয়ে উঠেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2016 | Men's High Jump T42 | G সোনার |
| 2020 | High Jump - T63 | S রুপো |
২০১৬ সালে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত প্যারালিম্পিক গেমসে, তিনি T42 বিভাগে জয়ী হয়েছিলেন। এই জয় একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক চিহ্নিত করে, কারণ তিনি প্যারালিম্পিকে স্বর্ণপদক জয়ী হওয়া প্রথম ভারতীয় উচ্চতার জাম্পার হয়ে উঠেন। তার এই সাফল্য জাতিকে অপরিসীম গর্ব এনে দিয়েছিল।
২০১৭ সালে, তিনি ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মশ্রী পুরষ্কার পেয়েছিলেন। একই বছর, তিনি ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান অর্জুন পুরষ্কারে ভূষিত হন। এই সম্মাননাগুলি ভারতীয় ক্রীড়ায় তার অবদানকে স্বীকৃতি দেয়।
২০২০ সালে, তাকে যুব বিষয়ক এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দ্বারা রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরষ্কার প্রদান করা হয়। এই পুরষ্কার ভারতের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান, ভারতীয় ক্রীড়ায় তার ঐতিহ্যকে আরও দৃঢ় করে।
২০১৮ সালে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান প্যারা গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ভারতের পতাকা বহন করার সৌভাগ্য লাভ করেন। এই ভূমিকা ভারতীয় ক্রীড়ায় একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হিসেবে তার অবস্থানকে স্পষ্ট করে।
তার পরিবার তার কর্মজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। তিনি তামিলনাড়ুর একই অঞ্চল থেকে আসা ভারতীয় অভিনেতা রজনীকান্তের প্রতিও আগ্রহী। তার ব্যক্তিগত দর্শন সহজ কিন্তু শক্তিশালী: "চেষ্টা করতে থাকুন এবং চেষ্টা করতে থাকুন, শেষ পর্যন্ত আপনার সাফল্য হবে।"
ভবিষ্যৎ দিকে তাকিয়ে, তিনি ২০২৪ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত প্যারালিম্পিক গেমসে স্বর্ণপদক জয়ের লক্ষ্য রাখেন। এই লক্ষ্য তাকে তার সীমা বাড়িয়ে চলতে এবং उत्कृष्टতার জন্য প্রচেষ্টা করতে অনুপ্রাণিত করে।
তামিলনাড়ুর একজন শিক্ষার্থী থেকে প্যারালিম্পিক স্বর্ণপদক বিজয়ী পর্যন্ত এই ক্রীড়াবিদের যাত্রা অনুপ্রেরণাদায়ক। তার সাফল্য শুধুমাত্র ভারতকে গৌরব এনে দেয়নি, বরং ধৈর্য এবং নিবেদনের প্রমাণ হিসেবেও কাজ করে।