২০২১ সালে, ভারতের জয়পুরের একজন ক্রীড়াবিদ শুটিং পারা স্পোর্টে যোগ দেন। তিনি এর আগে বিভিন্ন ধরণের খেলায় জড়িত ছিলেন, কিন্তু শুটিংয়ে মনোনিবেশ করার সিদ্ধান্ত নেন। শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী মেয়েদের জন্য খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করা কতটা চ্যালেঞ্জিং তা তিনি অনুভব করেছিলেন। এই চ্যালেঞ্জগুলি সত্ত্বেও, তিনি অ্যাথলেটিক্স এবং পাওয়ারলিফটিং অনুসরণ করেছিলেন এবং ভারতের মহিলা পারা ভলিবল দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়েছিলেন।

তিনি রবিন্দ্রের সাথে বিবাহিত এবং তাঁর দুইটি সন্তান আছে। তিনি ইংরেজি এবং হিন্দি উভয় ভাষায় অস্বাভাবিকভাবে পারদর্শী। তাঁর পরিবার তাঁর ক্রীড়াগত লক্ষ্যগুলি সমর্থন করেছেন, যা তাঁকে পারা স্পোর্টের ক্ষেত্রে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়েছে।
তিনি জয়পুরের একলাব্য স্পোর্টস শুটিং একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নেন। তাঁর কোচ, যোগেশ শেখাওয়াত, একজন শুটার হিসাবে তাঁর বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। একাডেমি তাঁর প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সুবিধা এবং সমর্থন প্রদান করে।
তাঁর নানী তাঁর জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছেন। তিনি "কষ্ট ছাড়া লাভ নেই" এই দর্শন অনুসারে জীবনযাপন করেন, যা তাঁকে চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে উঠতে এবং সফলতার জন্য সংগ্রাম করতে প্রেরণা জোগায়।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তিনি প্যারিসে ২০২৪ সালের প্যারালিম্পিক গেমসে স্বর্ণপদক জিততে চান। এই লক্ষ্য তাঁর শুটিং পারা স্পোর্টে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা এবং অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।
এই ক্রীড়াবিদের বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ থেকে শুটিং পারা স্পোর্টে মনোনিবেশ করার যাত্রা অনুপ্রেরণাদায়ক। চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে ওঠার এবং নতুন সুযোগ অনুসন্ধানের জন্য তাঁর দৃঢ়সংকল্প তাঁর স্থিতিস্থাপকতা এবং খেলাধুলা প্রতি তাঁর আবেগকে তুলে ধরে।