২০১৮ সালে, ভারতের হরিয়ানার একজন ব্যাংক কর্মচারী এবং প্রেরণাদায়ক বক্তা পরাস্পোর্টের প্রতি তার আগ্রহ আবিষ্কার করেন। এর আগে তিনি ক্রিকেট, হকি, ফুটবল এবং বাস্কেটবল খেলেছেন কিন্তু কখনও স্পোর্টসকে পেশা হিসেবে বিবেচনা করেননি। কলেজের পর পরাস্পোর্ট সম্পর্কে জানার পর তার এই যাত্রা শুরু হয়, যা তার জীবনে উত্তেজনা ও প্রেরণা এনে দেয়।

তার জীবনের একঘেয়েমি ভাঙার জন্য তিনি পরাস্পোর্টে প্রবেশ করেন। স্টেডিয়ামে অনুশীলন এবং কাজ করার ফলে তিনি নিজেকে জীবন্ত ও প্রেরণাদায়ক অনুভব করেন। এই নতুন আগ্রহ তাকে জাতীয় কোচ সত্যনারায়ণের তত্ত্বাবধানে স্পোর্টস গ্রহণ করতে পরিচালিত করে।
২০২২ সালে চীনের হ্যাংঝুতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান পারা গেমসে পুরুষদের F51 ক্লাব থ্রোতে স্বর্ণপদক জিতে তিনি তার সবচেয়ে স্মরণীয় অর্জনের একটি অংশ হন। এই জয় তার ক্রীড়া জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক।
তার কোচ এবং বাবা তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব। তিনি কঠোর পরিশ্রম, ধারাবাহিকতা, শৃঙ্খলা এবং সততায় বিশ্বাস করেন। তিনি মনে করেন এই গুণাবলী শেষ পর্যন্ত সাফল্যের দিকে পরিচালিত করবে।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তিনি প্যারিসে ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত প্যারালিম্পিক গেমসে পদক জিতার লক্ষ্যে কাজ করছেন। এই লক্ষ্য তাকে তার দক্ষতা উন্নত করতে এবং প্রশিক্ষণ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করে।
একজন ব্যাংক কর্মচারী থেকে স্বর্ণপদক বিজয়ী ক্রীড়াবিদ হওয়ার তার যাত্রা অনুপ্রেরণাদায়ক। এটি কারও আগ্রহ আবিষ্কার করার গুরুত্ব এবং নিবেদন ও কঠোর পরিশ্রমের সাথে তার পিছনে লাগার গুরুত্ব তুলে ধরে।