“রানি” নামে পরিচিত আল মালাকা, ২০০৫ সাল থেকে ক্রীড়ার একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তিনি মিশরীয় সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈন্য ও যুদ্ধের শিকারদের সংগঠনের সাথে যুক্ত। ক্রীড়ায় তার যাত্রা শুরু হয়েছিল প্রায় দুই দশক আগে, এবং তিনি এখনও কঠোরভাবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, প্রতি সপ্তাহে তার অনুশীলনের জন্য ১০ ঘন্টা সময় উৎসর্গ করছেন।

২০২২ সালে, আল মালাকা একজন বড় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন যখন তিনি বুকের আঘাত পান। এই বিপর্যয়ের পরেও, তিনি স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ়সংকল্প প্রদর্শন করে প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। তার পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া তার শক্তি এবং খেলার প্রতি তার অঙ্গীকারকে উজ্জ্বল করে তুলেছে।
আল মালাকা তার পিতামাতার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পান, যারা তার কর্মজীবনের উপর একটি উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছেন। তিনি তার বাবাকে তার নায়ক হিসেবে দেখেন, যা ক্রীড়া এবং জীবনের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গিকে আকার দিয়েছে। এই প্রভাবগুলি ক্রীড়াবিদ হিসেবে তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি মিশরীয় সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈন্য ও যুদ্ধের শিকারদের সংগঠনকে প্রতিনিধিত্ব করেন। এই অ্যাফিলিয়েশন কেবলমাত্র ক্রীড়ার প্রতি নয়, বরং তার ক্রীড়া প্রচেষ্টার মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত সৈন্য এবং যুদ্ধের শিকারদের সমর্থন করার প্রতি তার অঙ্গীকারকে উজ্জ্বল করে তোলে।
আগামীতে, আল মালাকা একই উৎসর্গ এবং উত্সাহের সাথে ক্রীড়ায় তার যাত্রা চালিয়ে যেতে চান। তার ভবিষ্যতের পরিকল্পনাগুলির মধ্যে রয়েছে তার দক্ষতা আরও বিকশিত করা এবং তার ক্রীড়া জীবনে নতুন মাইলফলক অর্জন করা।
আল মালাকার গল্প হল ধৈর্য, উৎসর্গ এবং অনুপ্রেরণার একটি। তার ২০০৫ সালে শুরু থেকে আঘাত কাটিয়ে উঠে এবং তার পরিবার থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে যাত্রা তাকে একজন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ করে তোলার গুণাবলী প্রদর্শন করে।