মঙ্গোলিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর একজন ক্রীড়াবিদ পারা পাওয়ারলিফ্টিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। তিনি ২০০৯ সালে মঙ্গোলিয়ার উলানবাটারে তার যাত্রা শুরু করেন। তার ডান পা কেটে ফেলার আগে, তিনি ওজন তোলা এবং জুডোতে অংশগ্রহণ করতেন। ক্রীড়ার প্রতি তাঁর নিষ্ঠা তাকে বিশ্ব মঞ্চে অসাধারণ সাফল্যের দিকে পরিচালিত করেছে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2020 | -107kg | G সোনার |
| 2016 | -88kg | B ব্রোঞ্জ |
তাঁর সফলতা এখানেই থেমে থাকে না। টোকিওতে ২০২০ প্যারালিম্পিক খেলায়, তিনি মঙ্গোলিয়ার পাওয়ারলিফ্টিং এ প্রথম প্যারালিম্পিক শিরোপা জিতেন। -১০৭ কেজি বিভাগে জয়লাভের মাধ্যমে তিনি এই ক্ষেত্রের শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়াবিদের স্থান নিশ্চিত করেন। এই সম্মাননা তাকে ব্যক্তিগত গৌরব না দিয়ে জাতীয় স্বীকৃতি ও প্রদান করে।
২০১৬ প্যারালিম্পিক খেলায় তাঁর অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ, তিনি মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রপতির হাত থেকে মঙ্গোলিয়ার সম্মানিত ক্রীড়াবিদ পদক গ্রহণ করেন। এই সম্মাননা ক্রীড়ার প্রতি তাঁর অবদান এবং মঙ্গোলিয়ার অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষী ক্রীড়াবিদের প্রেরণার সূত্র হিসেবে তাঁর ভূমিকাকে উজ্জ্বল করে তোলে।
অতি সম্প্রতি, তিনি এবং ধনুর্বিদ ওয়ুন-এরডেন বুয়ানজার্গাল প্যারিসে ২০২৪ প্যারালিম্পিক খেলার উদ্বোধনী সমারোহে মঙ্গোলিয়ার পতাকা ধারক হিসেবে নির্বাচিত হন। এই সম্মান মঙ্গোলিয়ান ক্রীড়ায় তাঁর নেতৃস্থানীয় মানুষ হিসেবে অবস্থান কে স্পষ্ট করে।
তিনি কেবল একজন সফল ক্রীড়াবিদ নন, বরং একজন শিক্ষিত ব্যক্তি ও হন। তিনি উলানবাটারের জাতীয় অর্থনৈতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। এছাড়াও, তিনি মঙ্গোলিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন।
তাঁর প্রশিক্ষণ পদ্ধতি প্রশিক্ষক ড্যাশ বাত্তুলগা এবং বি. এঙ্কবায়ার দ্বারা পরিচালিত। তাঁদের পরামর্শে, তিনি তাঁর দক্ষতা কে নিখুঁত করেছেন এবং শীর্ষ কার্যক্ষমতা মাত্রা বজায় রাখেন। তিনি উলানবাটারের গোল্ডস জিমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন, যেখানে তিনি আগামী প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে থাকেন।
আগামী দিনে, তিনি প্যারিসে ২০২৪ প্যারালিম্পিক খেলায় অংশগ্রহণ করার লক্ষ্য রাখেন। এই লক্ষ্য তাঁর উৎকর্ষতার প্রতি চলমান নিবেদন এবং বিশ্ব মঞ্চে মঙ্গোলিয়াকে প্রতিনিধিত্ব করার ইচ্ছা কে প্রতিফলিত করে।
তিনি মঙ্গোলিয়ান জুডোকা নাইদান তুভশিনবায়ার থেকে প্রেরণা পান। এই প্রভাব তাঁর প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতার প্রতি নজর কে আকার দিয়েছে, তাকে পারা পাওয়ারলিফ্টিং এ নতুন উচ্চতা অর্জন করার জন্য চালিত করেছে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর অগ্রসর হচ্ছে এবং এই ক্রীড়াবিদ তাঁর লক্ষ্যের প্রতি নিবদ্ধ থাকেন এবং তাঁর নিষ্ঠা এবং অর্জনের মাধ্যমে অন্যদের প্রেরণা দিতে থাকেন।