চীনের শাংহাইয়ের একজন ক্রীড়াবিদ হুইলচেয়ার ফেন্সিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। তিনি ২০০৯ সালে শাংহাইতে তার যাত্রা শুরু করেন। ক্রীড়ার প্রতি তার নিষ্ঠা স্পষ্ট, কারণ তিনি প্রতি সপ্তাহে 30 ঘন্টা প্রশিক্ষণ নেন। তার ক্লাব, শাংহাই, এবং তার কোচ, কং লিনসেন, তার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2016 | Epee Team | G সোনার |
| 2016 | Epee Category A | G সোনার |
তার সবচেয়ে স্মরণীয় অর্জনগুলোর মধ্যে একটি হলো রিও ডি জেনিরোতে ২০16 সালের প্যারালিম্পিক গেমস। তিনি মহিলাদের ইন্ডিভিজুয়াল এবং টিম ইপেই এ প্রতিযোগিতায় সোনা জিতেছিলেন। এই অর্জন তার কর্মজীবনের একটি উজ্জ্বল দিক হিসেবে বিবেচিত।
তার স্বামী তার কর্মজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিলেন। তিনি মার্কিন বক্সার মুহাম্মদ আলী এবং চীনা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় মা লং থেকে অনুপ্রেরণা পান। প্রতিযোগিতার আগে, তিনি ঠান্ডা জলে মুখ ধোয়ার রীতিনীতি পালন করেন। এটি তাকে ফোকাস করতে এবং মানসিকভাবে প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করে ।
তার মূলমন্ত্র সহজ কিন্তু শক্তিশালী: "কখনো হাল ছেড়ে দেও না।" এই মনোভাব তার কর্মজীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। খেলাধুলার বাইরে, তিনি শপিং উপভোগ করেন, যা তার কঠোর প্রশিক্ষণ সময়সূচী থেকে একটি শিথিল বিরতি প্রদান করে।
তিনি চীনের শাংহাই স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি থেকে তার শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তার শিক্ষাগত পটভূমি তার খেলাধুলা কর্মকাণ্ড আরও সমৃদ্ধ করে এবং তার কর্মজীবনের জন্য একটি সুষম ভিত্তি প্রদান করে।
ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে, তিনি হুইলচেয়ার ফেন্সিং-এর সর্বোচ্চ স্তরে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রাখেন। তার নিষ্ঠা এবং সমর্থন ব্যবস্থা সহ, তিনি ভবিষ্যতে আরও সফলতা অর্জনের জন্য ভালো ভাবে তৈরি হয়েছেন।
এই ক্রীড়াবিদের যাত্রা হল স্থিতিস্থাপকতা এবং সংকল্পের প্রমাণ। তার গল্প বিশ্বব্যাপী অনেক প্রত্যাশী ক্রীড়াবিদকে অনুপ্রাণিত করে।