Cornelissen-এর অশ্বারোহণ ক্রীড়ায় যাত্রা তার পরিবারের পোনি প্রজননের সাথে জড়িত থাকার কারণে শুরু হয়েছিল। ঘোড়া চালানো প্রথমে তার কাছে একটি শখ ছিল। সময়ের সাথে সাথে, এই আগ্রহটি একটি পেশাদার ক্যারিয়ারে রূপান্তরিত হয়।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2016 | Open Team | 4 |
| 2012 | Open Individual | S রুপো |
| 2012 | Open Team | B ব্রোঞ্জ |
২০১৪ সালের অক্টোবরে Cornelissen গুরুতর আহত হন। তিনি একটা যুবক ঘোড়া থেকে পড়ে যাওয়ার পর তার পা ভেঙে গিয়েছিল এবং তার ফিবুলা বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। এই ঘটনার জন্য চার থেকে ছয় সপ্তাহ বিশ্রামের প্রয়োজন ছিল, যার ফলে তিনি সুইডেনের স্টকহোমে বিশ্বকাপের প্রতিযোগিতা মিস করেন।
Cornelissen তার ক্যারিয়ার জুড়ে অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। ২০১১ এবং ২০১২ সালে তাকে নেদারল্যান্ডসের Gelderland-এর স্পোর্টসউম্যান অফ দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়। ২০১১ সালে তিনি আন্তর্জাতিক অশ্বারোহণ ফেডারেশন (FEI) থেকে সেরা অ্যাথলেট পুরষ্কার পান। এছাড়াও, তিনি ২০০৮ এবং ২০০৯ সালে Drenthe-এ স্পোর্টসউম্যান অফ দ্য ইয়ার হিসেবে নামকরণ করা হয়েছিল।
Cornelissen এই মুক্তো দ্বারা জীবনযাপন করেন: "যদি তুমি সেরা হতে চাও, তবে তোমাকে বাকিদের এবং সেরাদের পরাজিত করতে হবে!" এই দর্শন তাকে তার ক্যারিয়ারে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং সাফল্যের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করেছে।
তিনি Nijkerk-এ Landgoed Balkenschoten পরিচালনা করেন। এই উদ্যোগ কেবল প্রতিযোগিতার বাইরেও অশ্বারোহণ ক্রীড়ার প্রতি তার অঙ্গীকার প্রতিফলিত করে।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারীতে Cornelissen-এর ঘোড়া Parzival মারা যায়। এই জুটি লন্ডনের ২০২২ সালের অলিম্পিক গেমসে ব্যক্তিগত রূপে রূপা এবং দলগতভাবে ব্রোঞ্জ জিতেছিল। Cornelissen তার জীবনে Parzival-এর প্রভাবের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, বলেছেন যে তিনি তার কাছ থেকে মূল্যবান জীবনের পাঠ শিখেছেন।
২০০৮ সালে Cornelissen পেশাদার ঘোড়া চালানোর জন্য ইংরেজি শিক্ষকের চাকরি ছেড়ে দেন। এই সিদ্ধান্ত তার ক্যারিয়ারে একটি উল্লেখযোগ্য মোড় ঘটায়।
Cornelissen একজন অ্যাথলেট, কোচ এবং প্রশিক্ষক হিসেবে অশ্বারোহণ ক্রীড়ায় অবদান রাখছেন। তার জীবনের যাত্রা প্রাথমিক শুরু, উল্লেখযোগ্য অর্জন, ব্যক্তিগত দর্শন এবং জীবনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের দ্বারা চিহ্নিত।