ইরানের ফার্স প্রদেশের একজন ক্রীড়াবিদ পাওয়ারলিফটিং বিশ্বে ঝড় তোলছেন। ২০১৩ সালে শিরাজে তিনি তার যাত্রা শুরু করেন, তাকে অনুপ্রাণিত করেন ইরানের পারা সাইক্লিস্ট এবং পাওয়ারলিফটার বহমান গোলবার্নেজাদ। এরপর থেকে ক্রীড়াবিদের এই খেলার প্রতি আগ্রহ অটল।

২০১৮ সালে জাপানের কিটা কিউশুতে অনুষ্ঠিত এশিয়া-ওশেনিয়া চ্যাম্পিয়নশিপে তিনি ইরানের হয়ে তার অভিষেক করেন। এটি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সূচনা চিহ্নিত করে। তার পারফর্ম্যান্স প্রশংসনীয় ছিল, তার প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ১০৭ কেজি শ্রেণিতে রূপা পদক পেয়েছিলেন।
তিনি জাতীয় কোচ হোসেন তাভাকোলি ও আহমেদ মোল্লা হোসেনির তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ নেন। তাদের বিশেষজ্ঞতা তার দক্ষতা তৈরি করতে এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করেছে। ক্রীড়াবিদের প্রশিক্ষণের প্রতি আগ্রহ তার ধারাবাহিক পারফর্ম্যান্সে স্পষ্ট।
তার দর্শন স্পষ্ট: "আমি প্রতিটি প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জেতার লক্ষ্য নিয়ে অংশগ্রহণ করি। যদি কখনও এটি পরিবর্তিত হয়, আমি প্রতিযোগিতা থেকে সরে যাবো।" এই মানসিকতা তাকে তার অংশগ্রহণ করা প্রতিটি প্রতিযোগিতায় उत्कृष्टতা অর্জনের জন্য অনুপ্রাণিত করে।
ভবিষ্যতে তিনি ২০২৪ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত প্যারালিম্পিক গেমসে অংশগ্রহন করার লক্ষ্য রেখেছেন। এই লক্ষ্য তার পাওয়ারলিফটিং ক্যারিয়ারে নতুন উচ্চতা অর্জনের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত করে। বিশ্ব মঞ্চে এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তার যাত্রা অব্যাহত রয়েছে।
ক্রীড়াবিদের গল্প হলো নিবেদন এবং অনুপ্রেরণার। পারা খেলাধুলা আবিষ্কার থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সফলতা অর্জন পর্যন্ত, তিনি তার লক্ষ্যে মনোনিবেশ করেছেন। ২০২৪ প্যারালিম্পিকসের জন্য অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে তার যাত্রা তার কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্যের সাক্ষ্য দেয়।