পারা পাওয়ারলিফটিংয়ে দক্ষতার জন্য পরিচিত ইরানি খেলোয়াড়, ক্রীড়াবিশ্বে ঝড় তুলেছেন। তিনি তার যাত্রা শুরু করেছিলেন ২০০৫ সালে তেহরানে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানে। ২০০৯ সালে, তিনি ইউএসএ-তে আইআর ইরানের হয়ে তার অভিষেক করেছিলেন। খেলাধুলার প্রতি তার আগ্রহ তার প্রথম দিকের শুরু এবং ধারাবাহিক কর্মক্ষমতার কথা বলে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2020 | -80kg | G সোনার |
| 2012 | Men's 67.5kg | S রুপো |
জাতীয় কোচ হোসেন তাভাকোলি এবং আহমেদ মোল্লা হোসেনির নির্দেশনায়, তিনি তার দক্ষতা বৃদ্ধি করেছেন। এই অভিজ্ঞ কোচদের সাথে প্রশিক্ষণ অবশ্যই আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার সাফল্যে অবদান রেখেছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত, দুবাই, ২০২3 সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে কাঁধের চোটের মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও, 80 কেজি বিভাগে তিনি সোনা জিতেছিলেন। এই বিজয় চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতেও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য তার স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ়সংকল্পকে তুলে ধরে।
তিনি ইরানী পারা পাওয়ারলিফটার কাজেম রজবি গুলোজেহ এবং সিয়ামান রহমানের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পান। তার ব্যক্তিগত দর্শন, "আপনি যা দেন তা পান।" কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে।
আগামীতে, তিনি প্যারিসে 2024 সালের প্যারালিম্পিক গেমসে স্বর্ণপদক জিততে চান। এই লক্ষ্য তার অভিলাষ এবং তার ক্রীড়া জীবনে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর জন্য তার প্রতিশ্রুতির অন্তর্নিহিত করে।
পাওয়ারলিফটিং ছাড়াও, তিনি খেলাধুলা , জিমে যাওয়া , পড়া , ছবি দেখা এবং ব্যায়াম সহ বিভিন্ন শখ উপভোগ করেন। এই কার্যকলাপগুলি তাকে তার ক্রীড়া অনুসন্ধানের উপর ধ্যান রखার সময় সমতুলিত জীবনযাপন বজায় রাখতে সাহায্য করে।
তেহরানের একজন তরুণ খেলোয়াড় থেকে আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠার তার যাত্রা তার কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার প্রমাণ। তার কোচ এবং পরিবারের অব্যাহত সমর্থনের মাধ্যমে, তিনি ভবিষ্যতে আরও সাফল্য লাভের জন্য প্রস্তুত।