ফিনিক্স, এজে, ইউএসএ-তে বসবাসকারী একজন সফল ক্রীড়াবিদ, অ্যারিস মেরিট, বাধা দৌড়ের জগতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। উচ্চ বিদ্যালয়ে একটা চ্যালেঞ্জের পর, তার কোচ তার সম্ভাবনা দেখে, তার যাত্রা শুরু হয়। মেরিটের সমর্পণ এবং প্রতিভা তাকে খেলার জগতে খ্যাতি অর্জন করতে সাহায্য করেছে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Men's 110m Hurdles | G সোনার |
মেরিট টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়, নক্সভিল, টিএন, ইউএসএ-তে ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা লাভ করেন। এই শিক্ষাগত পটভূমি তাকে ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং কর্মক্ষমতা সম্পর্কে জটিল বিষয়গুলি বুঝতে একটি মজবুত ভিত্তি প্রদান করে।
মেরিটের সবচেয়ে স্মরণীয় অর্জনগুলির মধ্যে একটি হলো লন্ডনের ২০১২ অলিম্পিক খেলায় ১১০মি বাধা দৌড়ে সোনা পদক জয় করা। তার প্রদর্শনের জন্য তাকে বিভিন্ন সম্মাননা প্রদান করা হয়, যার মধ্যে ২০১৫ সালে ইউএসএ ট্র্যাক এবং ফিল্ড (ইউএসএটিএফ) দ্বারা প্রদত্ত উইং অ্যাওয়ার্ডস -এ বর্ষের প্রেরণাদায়ক প্রদর্শনের জন্য পুরষ্কার অন্তর্ভুক্ত ।
তিনি ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন (আইএএএফ) দ্বারা প্রদত্ত প্রেরণাদায়ক পুরষ্কার লাভ করেন এবং ২০১২ সালে ইউএসএটিএফ দ্বারা প্রদত্ত ফ্যান্স চয়েস অ্যাওয়ার্ডস -এ বর্ষের উদ্ভাবনী খেলোয়াড় হিসেবে নামকরণ করা হয়।
তার পেশা জীবনে মেরিট গুরুতর চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন। ২০১৩ সালে, তার বাম পায়ের হ্যামস্ট্রিং -এ তিনবার চোট লাগে, যার কারণে তাকে প্রশিক্ষণ থেকে চার মাস দূরে থাকতে হয়। এই নিরুৎসাহিত করার পরও, ২০১৩ সালে মস্কোতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিযোগিতা করার জন্য তিনি সময়মতো স্থির হয়ে উঠেন।
২০১৪ সালে, তার ডান এবং বাম উভয় হ্যামস্ট্রিং -এ চোট লাগে। এছাড়াও, ২০১৩ সালে মেরিটকে ফোকাল সেগমেন্টাল গ্লোমেরুলোস্কেলেরোসিস রোগ নির্ণয় করা হয়, এটি একটি বংশগত রোগ যা তার কিডনির কার্যক্ষমতা গুরুতরভাবে হ্রাস করে। তার বড় বোন লাটোয়া হাবার্ড ডোনার হিসেবে কিডনি প্রতিস্থাপন শল্যচিকিৎসা করান।
শল্য চিকিৎসা পর, মেরিট জটিলতা জনিত কারণে অন্য একটি শল্য চিকিৎসা করান কিন্তু ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বাধা দৌড়ে ফিরে আসেন। তার সাধ্য এবং সংকল্প এই বাধাগুলি পেরিয়ে উচ্চ স্তরে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার জন্য মূল কারণ হয়ে উঠেছে।
মেরিট তার বড় বোন লাটোয়া হাবার্ডকে তার পেশা জীবনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করেন। তিনি জ্যামাইকান স্প্রিন্টার ইউসাইন বোল্টকে তার নায়ক হিসেবে বিবেচনা করেন। এই প্রভাবগুলি খেলার প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি আকার দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মেরিট "ধৈর্যশীল হও" এই মোটো অনুসারে জীবন যাপন করেন, যা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে সাফল্য অর্জন করার জন্য তার দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে। খেলাধুলার বাইরে, তিনি কম্পিউটার গেম খেলা ভালোবাসেন, যা তাকে বিশ্রাম এবং বিনোদন দেওয়ার একটি উপায় ।
ভবিষ্যৎ দিকে তাকিয়ে, মেরিট ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতায় ১১০মি বাধা দৌড়ে আরেকটি সোনা পদক জয় করার লক্ষ্য রাখেন। তার যাত্রা পরিশ্রম এবং সমর্পণের প্রমাণ, বিশ্বব্যাপী অনেক আশাবাদী খেলোয়াড়কে প্রেরণা দিচ্ছে।