চীনের শিজিয়াঝুয়াং থেকে আসা এই অ্যাথলিট, যাকে "রিংয়ের রানী" বলা হয়, বক্সিংয়ের জগতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। চতুর্থ শ্রেণিতে যখন তিনি ছিলেন তখন তিনি যুদ্ধকলা শেখা শুরু করেছিলেন এবং ১২ বছর বয়সে বক্সিংয়ে চলে আসেন। হেনান প্রদেশের মহিলা বক্সিং দলকে দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2021 | Women's Flyweight | Quarterfinal |
শিজিয়াঝুয়াং-এর হেবেই স্পোর্টস বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি স্পোর্টস সায়েন্সে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। তার প্রশিক্ষণ এবং নিবেদন তার প্রথম দিন থেকেই স্পষ্ট ছিল, যা তাকে হেবেই প্রদেশের বক্সিং দলে যোগদান করতে পরিচালিত করে।
২০১৪ সালে, নানজিং-এ অনুষ্ঠিত যুব অলিম্পিক খেলায় স্বর্ণপদক জিতে চীনের প্রথম মহিলা বক্সার হিসেবে ইতিহাস তৈরি করেন। ফ্লাইওয়েট বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, তার জয় চীনা বক্সিংয়ের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন ছিল।
২০১৫ সালে চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ স্পোর্ট দ্বারা তাকে জাতীয় শ্রেণীর অভিজাত অ্যাথলিট হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। এই স্বীকৃতি তার অসাধারণ দক্ষতা এবং খেলার প্রতি তার অবদান তুলে ধরে।
তার ক্যারিয়ার জুড়ে, তিনি বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন। ২০১৪ সালে, তার বাম কনুইয়ে আঘাত লেগেছিল। পাঁচ বছর পর তিনি অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অস্ত্রোপচার করেন। এই বিপর্যয়গুলি সত্ত্বেও, তার স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ় সংকল্প তাকে দৃঢ়ভাবে চলতে থামাতে।
তার খেলার দর্শন সহজ কিন্তু শক্তিশালী: "যখন আমি রিংয়ে পা রাখি, তখন আমি একজন যোদ্ধা।" এই মানসিকতা তাকে তার পথের বাধা অতিক্রম করতে এবং उत्कृष्ट হতে পরিচালিত করেছে। চীনা বক্সার জৌ শিমینگকে তিনি তার আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করেন, তার অর্জন এবং নিবেদন থেকে অনুপ্রেরণা নেন।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তিনি ২০২৪ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত অলিম্পিক খেলায় স্বর্ণপদক জিততে চান। এই লক্ষ্য তার বক্সিং ক্যারিয়ারে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর জন্য তার অটল প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে।
শিজিয়াঝুয়াং-এর এই অ্যাথলিটের যাত্রা কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রমাণ। তার গল্প চীন এবং তার বাইরে অনেক তরুণ অ্যাথলিটকে অনুপ্রাণিত করে যাচ্ছে।