ডন হার্পার, যাকে আডাওনজো নামেও জানা যায়, সংযুক্ত রাষ্ট্রের একজন খ্যাতিমান খেলোয়াড়। তিনি ইলিনয়ের ইস্ট সেন্ট লুইস সিনিয়র হাই স্কুলে তার খেলাধুলা জীবন শুরু করেন। প্রাথমিকভাবে ১০০মি এবং ২০০মি দৌড়ে একজন ফ্ল্যাট স্প্রিন্টার হিসেবে খেলার সময় তার প্রশিক্ষক জেরাল্ড নেভ তার হার্ডলিং ক্ষমতার কথা জানতে পারেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Women's 100m Hurdles | S রুপো |
| 2008 | Women's 100m Hurdles | G সোনার |
হার্পার তার খেলোয়াড় জীবনের সবচেয়ে প্রভাবশালী মানুষ হিসেবে প্রশিক্ষক জেরাল্ড নেভ, নিণো ফেননয় এবং বব কারসি কে উল্লেখ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হেপ্ট্যাথলেট জ্যাকি জয়নার-কারসি কে ও তার আদর্শ হিসাবে মানেন।
হার্পার আঘাতের কারণে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন। ঘাড়ের আঘাতের কারণে তিনি ২০১০ সালের বেশিরভাগ সময় ট্র্যাক থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হন এবং এপ্রিল ২০১১ সালে ট্র্যাক এ ফিরে আসেন। তিনি ১৫ বছর বয়সে এবং ২০০৮ সালের প্রথমদিকে ও ঘাড়ের অস্ত্রোপচার করেছিলেন।
২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিক খেলায় ১০০মি হার্ডলিং এ তার সোনা পদক জন্য, তৎকালীন ইলিনয়ের গভর্নর রড ব্লাগোজেভিচ ৬ অক্টোবর কে ইলিনয় রাষ্ট্রে ডন হার্পার দিবস ঘোষণা করেন।
হার্পার সংযুক্ত রাষ্ট্রে তার স্বামী, অ্যালোনজো নেলসন এর সাথে বাস করেন। তিনি লস এঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ইউসিএলএ) থেকে মানসিক বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি ধারণ করেছেন। তিনি ইংরেজি ভাষায় পরিচিত।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, হার্পার ২০১৬ সালের রিও ডি জেনিরো অলিম্পিক খেলায় ১০০মি হার্ডলিং এ সোনা পদক জিতে চান।
হার্পারের একজন ফ্ল্যাট স্প্রিন্টার থেকে একজন সফল হার্ডলার হওয়ার যাত্রা তার সমর্পণ এবং স্থিতিস্থাপকতা কে প্রতিফলিত করে। তার গল্প বিশ্বজুড়ে অনেক তরুণ খেলোয়াড়কে প্রেরণা দিচ্ছে।