কাজাখস্তানের একজন বিশিষ্ট খেলোয়াড়, ভাসিলি কারপোভ, ক্রীড়ার জগতে নিজের জন্য একটি আলাদা স্থান তৈরি করেছেন। কারাগান্দায় জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা ভাসিলি সাত বছর বয়সে তার ক্রীড়া জীবনের শুরু করেন। তার মা, ভেরা কারপোভা, ছিলেন তার প্রথম কোচ এবং তাকে সাঁতার কাটতে শেখান।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Men's Decathlon | 18 |
| 2004 | Men's Decathlon | B ব্রোঞ্জ |
কারপোভ কারাগান্দা স্টেট ইউনিভার্সিটিতে কোচিং, আইন এবং শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি কারাগান্দায় তার সঙ্গী ইরিনা এবং তাদের ছেলে সভ্যাতোসলাভ এবং মিলোস্লাভা সাথে বসবাস করেন।
কারপোভের কর্মজীবনে আঘাতের সম্মুখীন হতে হয়েছে। ২০০৩ সালে প্যারিসে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ সময় তার কাধে এবং কোহনিতে আঘাত লাগে। পরের বছর তার হাঁটু শল্যচিকিৎসা করা হয়। ২০০৮ সালে বিশ্ব অলিম্পিকে ১০০ মিটার দৌড়ে তার থাইতে আঘাত লাগে।
কারপোভ "সম্মানিত স্পোর্টস মাস্টার" এর জাতীয় খেলাধুলা শিরোনাম ধারণ করেন। ২০০৩ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে তার ব্রোঞ্জ পদক কাজাখস্তানের প্রথম পদক ছিল IAAF বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে। এই অর্জন তার কর্মজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
কারপোভের পরিবারে খেলাধুলা একটি ঐতিহ্য। তার মা, ভেরা কারপোভা, হেপ্ট্যাথলনে ইউরোপীয় কাপ জিতেছিলেন। তার বাবা ও খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তার স্ত্রী, ইরিনা নাউমেনকো [কারপোভা], একজন এলিট কাজাখ খেলোয়াড়।
খেলাধুলায় অংশগ্রহণের বহিরে, কারপোভ মাছ ধরা এবং বই পড়া ভালোবাসেন। এই শখগুলো তাকে তার কঠোর প্রশিক্ষণ অনুসূচী থেকে বিরতি এবং মানসিক প্রেরণা প্রদান করে।
কারপোভের লক্ষ্য অলিম্পিকে সোনা পদক জিতা। এই লক্ষ্য তার মায়ের স্বপ্নের সাথে মিলে যায়, যা তার পরিকল্পনায় ব্যক্তিগত গুরুত্ব যোগায়।
কারপোভের যাত্রা নিবেদন এবং স্থিতিস্থাপকতা প্রতিফলিত করে। তার অর্জন কাজাখস্তানকে গর্বিত করেছে এবং দেশের অনেক কিশোর খেলোয়াড় কে প্রেরণা প্রদান করেছে।