|
দুটি করে পরিবর্তন
এদিন এস্কেদা না থাকায় সামনে শুধুমাত্র জবি জাস্টিনকে রেখে ঠিক তাঁর পিছনে নবাগত হাইমে কোলাদোকে খেলান লাল-হলুদ কোচ মেনেন্দেজ। তিনি কিন্তু প্রথম ম্যাচের নিরিখে বেশ প্রভাবিত করলেন। রক্ষণে সালাম রঞ্জন সিং-এর জায়গায় প্রথম একাদশে ফেরেন বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্টা।
উল্টোদিকে সনি নর্ডে ও পিন্টু মাহাতো না থাকায় মোহনবাগানের প্রথম একাদশেও এদিন দুটি পরিবর্তন করেছিলেন শঙ্করলাল। প্রথম একাদশে দিপান্ডা ও আজহারউদ্দিন মল্লিক।

স্রোত বদল
প্রথম থেকেই দুর্দান্তভাবে শুরু করেছিল লাল-হলুদ। কোলাদো বক্সের মধ্য়ে রালতের জন্য একটি দারুণ পাস বাড়িয়েছিলেন, কিন্তু ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার তা তিন কাঠির মধ্যে রাখতে পারেননি। কিন্তু ম্য়াচের ১০ মিনিট কাটতে না কাটতেই স্রোত বদলে যায়। চেন্নাই-এর বিরুদ্ধে দুর্দান্ত খেলা ওমরই বক্সের মধ্যে মাপা ক্রস বাড়িয়েছিলেন। পিছন থেকে গতিতে মনোজ মহম্মদকে পাস্ত করে বাঁপায়ের টোকায় গোল করে যান ২১ বছরের আজহারউদ্দিন মল্লিক।

লিড ধরে রাখতে পারল না বাগান
কিন্তু মোহনবাগান শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার এই সুবিধা বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি। মিনিট চারেকের মধ্যেই গোল শোধ দেন লালদানমাওয়িয়া রালতে। মোহনবাগান সমপর্থকরা যদিও গ্যালারি থেকে অফসাইডের দাবি তুলেছিলেন, কিন্তু সঙ্গত কারণেই তা মানেননি লাইন্সম্যান। জবি জাস্টিনের বাড়ানো বল থেকে গোল করে সমতা ফেরান মিজোরামের ফুটবলারটি।

এগিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল
প্রত্যেক ম্যাচেই উন্নতি করছেন লাল-হলুদের কেরলের স্ট্রাইকার জবি জাস্টিন। বিরতির ঠিক আগেই থেকে গোল করে যান তিনি। তবে এই গোলের পিছনে মোহনবাগান রক্ষণের ব্যর্থতাও দায়ী। মনোদজ মহম্মদের ক্রস থেকে বক্সের মধ্যে থেকেই একটি ওভারহেড ব্যাক ভলিতে বল সবুজ-মেরুন জালে জড়িয়ে দেন জাস্টিন।

দশজনের সবুজ মেরুণ এবং লাল-হলুদের তৃতীয় গোল
তবে মোহনবাগানের পক্ষে ম্যাচে সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছিল ম্য়াচের এক ঘন্টার মাথায়। আগেই একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন বাগান অধিনায়ক কিংসলে। এরপর ফের জাস্টিনকে অবৈধভাবে বাধা দেওয়ায় তাঁকে লাল কার্ড দেখিয়ে বের করে দেন রেফারি। মোহনবাগান শুধু দশজনেই নেমে যায়নি, তাদের রক্ষণের প্রধান ভরসা বেরিয়ে যাওয়ায় রক্ষণও দুর্বল হয়ে পড়ে। এই ফাউলের বিনিময়ে পাওয়া ফ্রিকিক থেকেই গোল তাঁর দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করে যান দানমাওয়িয়া। রালতের ইনসুইঙ্গারে হেড করেছিলেন তিনি। শঙ্কর রায় প্রথম বলচটি বাঁচালেও, ফিরতি বলে গোল করেন দানমাওয়িয়া।

ডিকার স্বান্ত্বনা গোল
শেষ আধঘন্টা মোহনবাগান দশ জনে নেমে গেলেও তার সুবিধা নিতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। বরং ম্য়াচের শেষদিকে একটি স্বান্ত্বনা গোল পায় মোহনবাগান। অরিজিত বাগুইয়ের তোলা ক্রস বেড করে ক্লিয়ার করতে গিয়েছিলেন বোরা গোমোজ। কিন্তু বল পড়ে গিয়ে ঠিক দিপান্ডা ডিকার পায়ে। গোলে বল ঠেলতে ভুল করেননি ক্যামেরুনের স্ট্রাইকার। একেবারে শেষ দিকে আরও একটি গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন জাস্টিন। কিন্তু প্রতিআক্রমণে মোহনবাগান বক্স পর্যন্ত পৌঁছে গেলেও শঙ্কর রায়কে টপকাতে পারেননি তিনি।


Click it and Unblock the Notifications



















