রবিবাসরীয় কলকাতা ডার্বি, এই ম্যাচেও জয়ের ব্যাপারে এগিয়ে লাল-হলুদ! রয়েছে অন্তত ৫টি কারণ

রবিবার (২৭ জানুয়ারি), কলকাতার যুবভারতী স্টেডিয়ামে আইলিগ ২০১৮-১৯-এর দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ১২ ম্যাচে ২২ পয়েন্টে থাকা ইস্টবেঙ্গল এই ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট তুলতে পারলে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে চলে যাবে। তবে কাজটা কঠিন কারণ খালিদ জামিলের কোচিংয়ে নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে সবুজ-মেরুন শিবির।

ডার্বিতে খাতা-কলমের অনেক হিসেবই উল্টে যায় এটা ঠিক। তবে তা সত্ত্বেও, তবে রবিবারের ম্যাচে বিশেষজ্ঞরা কিন্তু কিছুটা হলেও ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে রাখছেন। লাল-হলুদের স্প্যানিশ কোচ মেনেন্দেজ জানিয়েছেন তিনি সব ম্যাচকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখলেও এই ম্য়াচই তাদের কাছে সবচেয়ে বড়। দেখে নেওয়া যাক ঠিক কী কী যুক্তিতে মশাল বাহিনীর এই ম্য়াচ জেতার সম্ভাবনা বেশি বলে ধরা হচ্ছে।

অজানা স্ট্র্যাটেজি

অজানা স্ট্র্যাটেজি

প্রথম লেগের মতো এইবারেও ডার্বির আগে সমর্থক ও মিডিয়াকে অন্ধকারে রেখে 'ক্লোজ ডোর' অনুশীলন করাচ্ছেন মেনেন্দেজ। গত ডার্বির মতো কালো কাপড় ঢাকা নয়, একেবারে মাঠই বদলে ফেলেছেন। কোচ জানিয়েছেন খেলোয়াড়দের মনোসংযোগ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ দরজার আড়ালে বেস কিছু নতুন স্ট্র্যাটেজিও তৈরি হচ্ছে মোহনবাগান বধের। ডার্বিতে এতদিনের চেনা ছক হঠাত বদলে চমক দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল।

স্পিড, এজিলিটি, কুইকনেস ও গ্রিড ট্রেনিং

স্পিড, এজিলিটি, কুইকনেস ও গ্রিড ট্রেনিং

জানা গিয়েছে স্পিড, এজিলিটি, কুইকনেস - দলের খেলোয়াড়দের এই তিন বিষয় বাড়ানোর লক্ষ্যে অনুশীলন করাচ্ছেন মেনেন্দেজ। দলে বেশ কয়েকজন পাহাড়ি ও হাইমেদের মতো দ্রুতগতির বিদেশীদের কাজে লাগিয়ে এই স্ট্র্য়াটেজিতেই মাত দিতে চাইছেন মেনেন্দেজ। এছাড়া চলছে 'গ্রিড ট্রেনিং'। অর্থাত ৫ খেলোয়াড় নিজেদের মধ্যএ হল দেওয়া নেোয়া করে উঠবেন উপরে, আর আরেকজনের উপর দায়িত্ব থাকবে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের ব্লক করার। এছাড়া দুইদলে ভাগ করে অনুসীলন ম্য়াচ করা হচ্ছে মাঠের আকার ছোট করে, যাতে ভিড়ের মধ্যে খেলোয়াড়রা সহজে জায়গা খুঁজে নিতে পারে।

হাতে ৬ বিদেশী

হাতে ৬ বিদেশী

সুস্থ হয়ে গিয়েছেন এস্কেদা।। ফলে মরসুমে প্রথমবার লাল-হলুদ কোচ হাতে পাচ্ছেন একসঙ্গে দলের ৬ বিদেশীকেই। এতদিন এস্কেদা না থাকায় আক্রমণে একা থাকতেন জাস্টিন। রবিবার এস্কেদা প্রথম দলে থাকলে বাইরে বসতে হবে হাইমে কোলাদো কে। এস্কেদাকে বেঞ্চে রেখে পরেও ব্যবহার করা হতে পারে। টোনি ডোভাল দলের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছএন। এছাড়া প্রথম দলের নিয়মিত কাশিম আইদারা, বোরহা পেরেজ, জনি অ্যাকোস্টারাও থাকবেন।

ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাস

ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাস

বড় ম্য়াচ জেতা অনেকটাই স্নায়ুর জোরের উপর নির্ভরশীল। একটা সময় ছিল যখন ইস্টবেঙ্গলের হাতে এত ভাল দল ছিল, যে প্রায় প্রতিটা কলকাতা ডার্বির রঙই হত লাল-হলুদ। কিন্তু পরিস্থিতিটা বদলে যায় ৯ এপ্রিল ২০১৬-তে। তারপর ৩২ মাস এই ম্য়াচে জয় পায়নি মশাল-বাহিনী। গত ১৬ ডিসেম্বরের জয়ে নতুন করে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়েছে ইস্টবেঙ্গল দলে।

দল যেন সুখি পরিবার

দল যেন সুখি পরিবার

এখনও লাল-হলুদ ভালভাবেই ট্রফি জয়ের দৌড়ে রয়েছে। রবিবার জয় পেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ রয়েছে। তার আগে ফিজিকাল ট্রেনার কার্লোস পাজের সৌজন্যে দলের সবাই সুস্থ এবং দল এখন প্রায় এক সুখি পরিবার হয়ে উঠেছে। ম্য়াচের ৪৮ ঘন্টা আগে তারা এক হোটেলে উঠেছে। প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের দারুণ সুসম্পর্ক। কোচ মেনেন্দেজের টোটকায় দলে নতুন আসা ফুটবলাররাও অল্প সময়ের মধ্যেই এই পরিবারের সদস্য হয়ে উঠেছেন।

সব মিলিয়ে রবিবারের ম্যাচের আগে খাতায় কলমে এগিয়েই রয়েছএ লাল-হলুদ। ম্যাচে এই হিসেব উল্টে যায় কিনা সেটাই দেখার।

For Quick Alerts
Subscribe Now
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
Story first published: Sunday, January 27, 2019, 13:22 [IST]
Other articles published on Jan 27, 2019
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+