
অজানা স্ট্র্যাটেজি
প্রথম লেগের মতো এইবারেও ডার্বির আগে সমর্থক ও মিডিয়াকে অন্ধকারে রেখে 'ক্লোজ ডোর' অনুশীলন করাচ্ছেন মেনেন্দেজ। গত ডার্বির মতো কালো কাপড় ঢাকা নয়, একেবারে মাঠই বদলে ফেলেছেন। কোচ জানিয়েছেন খেলোয়াড়দের মনোসংযোগ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ দরজার আড়ালে বেস কিছু নতুন স্ট্র্যাটেজিও তৈরি হচ্ছে মোহনবাগান বধের। ডার্বিতে এতদিনের চেনা ছক হঠাত বদলে চমক দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল।

স্পিড, এজিলিটি, কুইকনেস ও গ্রিড ট্রেনিং
জানা গিয়েছে স্পিড, এজিলিটি, কুইকনেস - দলের খেলোয়াড়দের এই তিন বিষয় বাড়ানোর লক্ষ্যে অনুশীলন করাচ্ছেন মেনেন্দেজ। দলে বেশ কয়েকজন পাহাড়ি ও হাইমেদের মতো দ্রুতগতির বিদেশীদের কাজে লাগিয়ে এই স্ট্র্য়াটেজিতেই মাত দিতে চাইছেন মেনেন্দেজ। এছাড়া চলছে 'গ্রিড ট্রেনিং'। অর্থাত ৫ খেলোয়াড় নিজেদের মধ্যএ হল দেওয়া নেোয়া করে উঠবেন উপরে, আর আরেকজনের উপর দায়িত্ব থাকবে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের ব্লক করার। এছাড়া দুইদলে ভাগ করে অনুসীলন ম্য়াচ করা হচ্ছে মাঠের আকার ছোট করে, যাতে ভিড়ের মধ্যে খেলোয়াড়রা সহজে জায়গা খুঁজে নিতে পারে।

হাতে ৬ বিদেশী
সুস্থ হয়ে গিয়েছেন এস্কেদা।। ফলে মরসুমে প্রথমবার লাল-হলুদ কোচ হাতে পাচ্ছেন একসঙ্গে দলের ৬ বিদেশীকেই। এতদিন এস্কেদা না থাকায় আক্রমণে একা থাকতেন জাস্টিন। রবিবার এস্কেদা প্রথম দলে থাকলে বাইরে বসতে হবে হাইমে কোলাদো কে। এস্কেদাকে বেঞ্চে রেখে পরেও ব্যবহার করা হতে পারে। টোনি ডোভাল দলের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছএন। এছাড়া প্রথম দলের নিয়মিত কাশিম আইদারা, বোরহা পেরেজ, জনি অ্যাকোস্টারাও থাকবেন।

ফিরে পাওয়া আত্মবিশ্বাস
বড় ম্য়াচ জেতা অনেকটাই স্নায়ুর জোরের উপর নির্ভরশীল। একটা সময় ছিল যখন ইস্টবেঙ্গলের হাতে এত ভাল দল ছিল, যে প্রায় প্রতিটা কলকাতা ডার্বির রঙই হত লাল-হলুদ। কিন্তু পরিস্থিতিটা বদলে যায় ৯ এপ্রিল ২০১৬-তে। তারপর ৩২ মাস এই ম্য়াচে জয় পায়নি মশাল-বাহিনী। গত ১৬ ডিসেম্বরের জয়ে নতুন করে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়েছে ইস্টবেঙ্গল দলে।

দল যেন সুখি পরিবার
এখনও লাল-হলুদ ভালভাবেই ট্রফি জয়ের দৌড়ে রয়েছে। রবিবার জয় পেলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ রয়েছে। তার আগে ফিজিকাল ট্রেনার কার্লোস পাজের সৌজন্যে দলের সবাই সুস্থ এবং দল এখন প্রায় এক সুখি পরিবার হয়ে উঠেছে। ম্য়াচের ৪৮ ঘন্টা আগে তারা এক হোটেলে উঠেছে। প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের দারুণ সুসম্পর্ক। কোচ মেনেন্দেজের টোটকায় দলে নতুন আসা ফুটবলাররাও অল্প সময়ের মধ্যেই এই পরিবারের সদস্য হয়ে উঠেছেন।


Click it and Unblock the Notifications



















