ক্রোয়েশিয়ান শুটার জিয়ানি ১৯৯৬ সালে ক্রোয়েশিয়ার নোভিগ্রাদে ১৪ বছর বয়সে এই খেলার যাত্রা শুরু করেন। তার বাবা ও দাদু, যারা অস্ত্রের প্রতি আগ্রহী ছিলেন, তাদের অনুপ্রেরণায় জিয়ানি ১০ বছর বয়সে শিকারের সময় প্রথমবারের মতো শটগান ধরেন। এই অভিজ্ঞতা তার উপর স্থায়ী প্রভাব ফেলে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2016 | Men's Trap | 9 |
| 2012 | Men's Trap | G সোনার |
জিয়ানি ২০০৩ সালে চেক প্রজাতন্ত্রের ব্রনোতে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ক্রোয়েশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে তার আন্তর্জাতিক অভিষেক করেন। এটি তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সূচনা, যেখানে তিনি ইউরোপের সেরা শুটারদের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
জিয়ানির সবচেয়ে স্মরণীয় সাফল্যগুলির মধ্যে একটি হল ২০12 সালের অলিম্পিক গেমসে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য নির্বাচিত হওয়া। তিনি এটিকে তার ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলে মনে করেন। তার বাবা এবং দাদু তার এই যাত্রার সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
জিয়ানিকে ২০12 এবং ২০15 সালে ক্রোয়েশিয়ান অলিম্পিক কমিটি "বছরের অ্যাথলেট" হিসেবে সম্মানিত করা হয়। এই সম্মাননাগুলি এই খেলে তার নিবেদন এবং সাফল্যকে প্রতিফলিত করে। তার আদর্শ ইতালীয় শুটার জিওভানি পেলিএলো।
জিয়ানির কালো বেড়ালের ব্যাপারে একটা অশুভ শক্তি আছে। তার খেলার দর্শন খুব সহজ: "আপনার লক্ষ্য অর্জনের জন্য কখনো হাল ছাড়বেন না এবং স্থির থাকুন।" এই মন্ত্র তার সমগ্র ক্যারিয়ারে তাকে পরিচালিত করেছে।
জিয়ানি তার স্ত্রী সাবিনা এবং তাদের সন্তান ইভা ও লিওনার্ডোর সাথে ক্রোয়েশিয়ার নোভিগ্রাদে বাস করেন। তিনি ক্রোয়েশিয়া এবং ইতালিতে দ্বৈত নাগরিকত্ব ধারণ করেছেন। শুটিং ছাড়াও, তিনি তার পরিবারের রেস্তোরাঁয় ওয়েটার হিসেবে কাজ করেছেন।
২০12 সালের লন্ডন অলিম্পিকে সোনা জিতে এবং ইউরোপীয় ব্যক্তিগত খেতাব অর্জনের পর, ক্রোয়েশিয়ান অলিম্পিক কমিটি জিয়ানিকে ক্রোয়েশিয়ান সেনাবাহিনীতে স্থায়ী পদ প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়। এই প্রতিশ্রুতি ২০15 সালে পূর্ণ হয়।
ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতার দিকে তাকিয়ে, জিয়ানি উচ্চ পর্যায়ে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যেতে চান। এই খেলার প্রতি তার নিবেদন অটল রয়েছে যেহেতু তিনি আগামী ইভেন্টের জন্য একই দৃঢ়সংকল্প নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন যা তার ক্যারিয়ারকে এতদূর পরিচালিত করেছে।
শটগান প্রথমবার ধরেছিলেন যখন সে ছোট্ট ছেলে ছিল, সেই থেকে অলিম্পিক সোনা পদক বিজয়ী হওয়া পর্যন্ত জিয়ানির যাত্রা তার কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ়সংকল্পের প্রমাণ। তার গল্প খেলাধুলা বিশ্বের অনেক মানুষকে উৎসাহিত করে চলেছে।