১৩ বছর বয়সে, ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের রে থেকে একজন ক্রীড়াবিদ কুস্তির জগতে পদার্পণ করেন। তার বাবা এই খেলায় ভালোবাসতেন এবং তার ভাইরাও এতে জড়িত ছিলেন। এই পারিবারিক প্রভাবে তাকে কুস্তি গুরুত্বের সাথে অনুসরণ করতে পরিচালিত করে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2016 | Men's 59kg | Repechage Round 1 |
| 2012 | Men 55kg | G সোনার |
| 2008 | Men 55kg | 5 |
জাতীয় প্রশিক্ষক মোহাম্মদ বনা-র তত্ত্বাবধানে তিনি তার দক্ষতা বৃদ্ধি করেন। তার নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রম সফল হয় যখন 2012 সালের লন্ডন গেমসে গ্রেকো-রোমান কুস্তিতে তিনি সোনার পদক অর্জন করেন, যা একজন ইরানি ক্রীড়াবিদের জন্য প্রথম।
তার ক্যারিয়ার চ্যালেঞ্জমুক্ত ছিল না। তিনি 2014 সালের বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে, তেহরানে, কাঁধের আঘাত নিয়ে খেলেন। ঘাড়ের আঘাতের কারণে তিনি 2006 সালের দোহার এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে পারেননি।
তার ক্রীড়া দর্শন স্পষ্ট: "যদি তুমি সত্যিই কিছু চাও, তাহলে তোমাকে তা অর্জনের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা করতে হবে। তোমাকে ধৈর্যশীল হতে হবে, কারণ তোমার পথে অবশ্যই বাধা থাকবে।"
কুস্তির বাইরে, তিনি সিনেমা দেখতে এবং সঙ্গীত শুনতে ভালোবাসেন। এই শখগুলি তার কঠোর প্রশিক্ষণের সময়সূচীকে ভারসাম্য প্রদান করে।
তিনি শারীরিক শিক্ষায় উচ্চ শিক্ষা অর্জন করেছেন, যা তার ক্রীড়া ক্যারিয়ারের পরিপূরক। এই শিক্ষাগত পটভূমি সম্ভবত খেলাধুলার বিজ্ঞান এবং প্রশিক্ষণ কৌশল সম্পর্কে তার বোধগম্যতায় অবদান রেখেছে।
ভবিষ্যৎ লক্ষ্যের দিকে তাকিয়ে, তিনি 2016 সালের রিও ডি জেনিরো অলিম্পিক গেমসে সোনার পদক অর্জন করতে চান। এই লক্ষ্য তার প্রশংসার জন্য অব্যাহত চেষ্টা এবং তার খেলার প্রতি সমর্পণ প্রতিফলিত করে।
এই ক্রীড়াবিদের পরিবারের দ্বারা অনুপ্রাণিত একজন তরুণ ছেলে থেকে অলিম্পিক সোনার পদকধারী হওয়ার যাত্রা তার নিষ্ঠা এবং ধৈর্যের প্রমাণ। তার গল্প ইরান এবং বিশ্বের অনেক আশাশীল কুস্তিগীরকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।