অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের একজন ক্রীড়াবিদ জ্যাকো গিল নয় বছর বয়সে এথলেটিক্সে তার যাত্রা শুরু করেন। তার বাবা তাকে নিক্ষেপ অনুশীলনের জন্য একটি বাইরের এলাকা তৈরি করেছিলেন। পরিবারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে, জ্যাকোর এথলেটিক্সে আগ্রহ বৃদ্ধি পায় কারণ তারা নিজেরাই ক্রীড়া দিবস আয়োজন করত।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2021 | Men's Shot Put | 9 |
| 2016 | Men's Shot Put | 9 |
জ্যাকো অকল্যান্ডের টাকাপুনা অ্যামেচার অ্যাথলেটিক এবং হ্যারিয়ার ক্লাবের সদস্য। তিনি কোচ মাইক স্কোফিল্ডের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ নেন। তার ক্রীড়ার প্রতি নিষ্ঠা তার শৈশব থেকেই স্পষ্ট ছিল।
জ্যাকো ইতিহাস তৈরি করেছিলেন বিশ্ব যুব এবং জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জয়ী প্রথম পুরুষ নিউজিল্যান্ড ক্রীড়াবিদ হয়ে। তিনি 2010 সালে কানাডার মন্টক্টনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ এবং 2011 সালে ফ্রান্সের লিললে অনুষ্ঠিত বিশ্ব যুব চ্যাম্পিয়নশিপে শট পুটে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন।
মাত্র 15 বছর এবং 213 দিন বয়সে, জ্যাকো বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জয়ী যেকোনো দেশের সবচেয়ে কম বয়সী পুরুষ ক্রীড়াবিদ হয়ে ওঠেন। এই জয় তার ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন চিহ্নিত করে।
জ্যাকোর ক্যারিয়ার তার চ্যালেঞ্জ ছাড়া ছিল না। তিনি বিভিন্ন আঘাতের সম্মুখীন হন, যার মধ্যে 2017 সালের প্রথম দিকে গ্রোইন টিয়ার এবং রিও ডি জেনিরোতে 2016 সালের অলিম্পিক গেমসের আগে পায়ের হাড় ভাঙা অন্তর্ভুক্ত। এই বিপর্যয় সত্ত্বেও, তিনি গেমসে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
2017 সালের শেষের দিকে, জ্যাকোকে মায়োকারডাইটিস রোগ নির্ণয় করা হয়, যা হৃদয়ের প্রদাহ সৃষ্টি করে। এই অবস্থার কারণে তাকে প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা থেকে আট মাস বিরতি নিতে হয়েছিল। তিনি এই সময়টিকে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সময় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
2011 সালে, জ্যাকো নিউজিল্যান্ডের হালবার্গ পুরষ্কারে উদীয়মান প্রতিভা পুরষ্কার পান। এই স্বীকৃতি তার সম্ভাবনা এবং এথলেটিক্সের প্রতি নিষ্ঠা তুলে ধরে।
এথলেটিক্স ছাড়াও, জ্যাকোকে একটি নিউজিল্যান্ড জাতীয় বয়স-গ্রুপ বাস্কেটবল দলেও নির্বাচিত করা হয়েছিল। একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তার বহুমুখীতা তার একাধিক খেলাধুলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্পষ্ট।
জ্যাকো সুইডিশ ডিসকাস থ্রোয়ার রিকি ব্রুচকে ইডোলাইজ করেছিলেন। তিনি ব্রুচের খেলার প্রতি আগ্রহ এবং মে 2011 সালে ব্রুচের মৃত্যুর আগে তাদের ঘন ঘন আলাপচারিতা তাকে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, জ্যাকো টোকিও 2020 অলিম্পিক গেমসে সোনা জয় করার লক্ষ্য রাখছেন। তার দৃঢ়সংকল্প এবং স্থিতিস্থাপকতা এই লক্ষ্য অর্জনের দিকে তাকে চালিত করে চলেছে।
তার ক্যারিয়ার জুড়ে অসংখ্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও, জ্যাকো গিল তার খেলার প্রতি committed থাকেন। ঘরে থাকাকালীন একজন ছোট্ট ছেলে থেকে বিশ্বের মঞ্চে ইতিহাস তৈরি করার যাত্রা এথলেটিক্সের প্রতি তার dedication এবং আগ্রহের প্রমাণ।