থাইল্যান্ডের বক্সিং দৃশ্যে অনেক প্রতিভা দেখা গেছে, কিন্তু তৃতীয় সেনাবাহিনী আরাই বক্সিং ক্লাবের এই খেলোয়াড়ের মতো প্রভাব ফেলতে পেরেছে কম। জাতীয় কোচ থং থাভিকহুনের নির্দেশনায়, তার কর্মজীবনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Men Light Flyweight | S রুপো |
তার সবচেয়ে স্মরণীয় সাফল্যের মধ্যে একটি হলো ২০০৮ সালের অলিম্পিক স্বর্ণ পদক বিজয়ী জাও শিমিংয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা। এই ম্যাচটি তার ক্যারিয়ারের একটি আলোকসন্ধি।
তার পিতামাতাই তার কর্মজীবনে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। তিনি থাই বক্সার সোমজিৎ জংজোহরকে তার আদর্শ হিসেবে দেখেন।
২০১০ সালে, তিনি থাইল্যান্ডের খেলোয়াড় লেখকদের সংঘ এবং সিয়াম স্পোর্ট সিন্ডিকেট দ্বারা শ্রেষ্ঠ পুরুষ অ্যামেচার খেলোয়াড় হিসেবে স্বীকৃতি পান। এই পুরস্কারটি থাই বক্সিংয়ে তার অবদান উজ্জ্বল করে।
২০১১ সালে, আজারবাইজানের বাকুতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সময়, তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেন। তিনি ২৩-৮ স্কোর দিয়ে শীর্ষ বীজ এবং স্থানীয় প্রিয় সালমান আলিজাডে কে পরাজিত করেন। এই বিজয় তাকে কোয়ার্টার ফাইনালে একটি স্থান এবং লন্ডনের ২০১২ সালের অলিম্পিক খেলায় একটি স্থান সুনিশ্চিত করে।
থাইল্যান্ডে বাস করে, তিনি সশস্ত্র বাহিনীতে সেবা দান করেন এবং থাই ভাষায় নিরর্গত। তার দেশ এবং খেলা দুটোর প্রতিই নিষ্ঠা তার সাফল্যে স্পষ্ট।
আগামী দিনে, তিনি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করে যাওয়ার লক্ষ্য রাখেন। তার বক্সিং প্রতি নিষ্ঠা অটল থাকে যখন তিনি আরও সাফল্যের জন্য প্রচেষ্টা চালান।
এই খেলোয়াড়ের যাত্রা কঠোর পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রমাণ। তার কাহিনী থাইল্যান্ড এবং তার বহির্ভূত অনেক লোককে অনুপ্রাণিত করে।