ক্যাটরিন ওয়াগনার, যাকে ক্যাটরিন ওয়াগনার-অগাস্টিন নামেও পরিচিত, কায়াকিং এর জগতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী তিনি সাত বছর বয়সে এই খেলায় যাত্রা শুরু করেন। তার নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রম তাকে কায়াকিং এর একজন সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তিতে পরিণত করেছে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Women's K4 500m | S রুপো |
| 2012 | Women's K1 500m | 9 |
| 2008 | Women's K4 500m | G সোনার |
| 2008 | Women's K1 500m | B ব্রোঞ্জ |
| 2004 | Women's K4 500m | G সোনার |
| 2004 | Women's K1 500m | 4 |
| 2000 | Women's K2 500m | G সোনার |
| 2000 | Women's K4 500m | G সোনার |
জার্মানির জাতীয় কোচ রাইনার কিয়েসলার ওয়াগনারের প্রশিক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার নির্দেশিকায় ওয়াগনার তার ক্যারিয়ারে অনেক সম্মাননা অর্জন করেছেন। ওয়াগনারের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত কঠিন, যা তার সফলতার প্রতি আগ্রহ প্রতিফলিত করে।
১৯৯৮ সালে, ওয়াগনার কার্পাল টানেল সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হলে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সমস্যার সম্মুখীন হন। এই আঘাতের কারণে তাকে এক বছর খেলা থেকে বিরতি নিতে হয়। তবে তার ধৈর্য তার পূর্বের চেয়ে আরো শক্তিশালী করে ফিরে আসতে সাহায্য করে।
২০১০ সালে, ওয়াগনার তার ছেলে ইমিলকে জন্ম দেওয়ার জন্য কায়াকিং থেকে আরেকটি বিরতি নেন। ২০১১ শরৎ কালে তিনি লন্ডন ২০১২ অলিম্পিক খেলায় অংশগ্রহণের জন্য প্রশিক্ষণ শুরু করেন।
ওয়াগনারের অর্জনের তালিকা অনেক বড়। ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিক খেলায় তিনি জার্মানির জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ সমাবেশে পতাকা ধারণের সম্মান প্রাপ্ত হন। এই স্বীকৃতি এই খেলাতে তার অবদানের প্রমাণ।
কায়াকিং ছাড়াও, ওয়াগনার বাগান করতে এবং শিল্প কর্ম করতে ভালোবাসেন। তিনি জার্মানির পটসডামে বসবাস করেন এবং ইংরেজি এবং জার্মান ভাষা সাবলীলভাবে বলতে পারেন। তার প্রিয় ব্যক্তিত্ব হলেন জার্মানির অনেক বারের বিশ্ব এবং অলিম্পিক কায়াক চ্যাম্পিয়ন টোর্স্টেন গাটশে।
ওয়াগনারের জীবন কাহিনী হলো নিষ্ঠা, সাহস এবং সফলতার একটি কাহিনী। তার অর্জন খেলা জগতের অনেককে প্রেরণা দিচ্ছে।