ভারতের মুম্বাইয়ের বাসিন্দা এই খেলোয়াড় হকির জগতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। ইংরেজি এবং হিন্দিতে পারদর্শী, তিনি ছোট বয়সেই এই খেলা শুরু করেছিলেন। তাঁর অনুপ্রেরণা এসেছিল তাঁর বড় ভাইকে দেখে, যিনিও হকি খেলতেন। ভাইয়ের আঘাতের কারণে তিনি খেলা ছেড়ে দিলেও, এই খেলার মাধ্যমে তিনি একটি চাকরি পেয়েছিলেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2021 | Men | B ব্রোঞ্জ |
তাঁর প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা কঠোর। তিনি সপ্তাহের সাত দিন সকালে দুই ঘণ্টা এবং বিকেলে দুই ঘণ্টা আধা ঘণ্টা অনুশীলন করেন। ক্লাব স্তরে তিনি তুষার খান্ডকারের কাছে প্রশিক্ষণ নেন এবং জাতীয় স্তরে তিনি সজোর্ড মারজিনের কাছে প্রশিক্ষণ নেন।
তিনি একজন রক্ষণভাগের খেলোয়াড়। খেলায় তাঁর প্রতি সমর্পণের পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর প্রশিক্ষণ নিয়ম এবং খেলার প্রতি তাঁর মনোভাবের মাধ্যমে। তাঁর মূলমন্ত্র হলো আনন্দ নিয়ে খেলতে হবে কিন্তু 100% সমর্পণের সাথে। তিনি বিশ্বাস করেন যে যখন সমর্পণ সহজাত হয়ে যায়, তখন সাফল্য অনুসরণ করে।
২০১৫ সালে তিনি বেঙ্গালুরুতে জাতীয় শিবিরে প্রশিক্ষণের সময় একটি হালকা ফ্র্যাকচার পান। এই আঘাতের কারণে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ এবং ভারতে অনুষ্ঠিত পুরুষদের FIH হকি বিশ্বকাপ ফাইনালে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।
তিনি ভারতে অনুষ্ঠিত ২০1২ সালের বিশ্ব সিরিজ হকিতে রুকি অফ দ্য ইয়ার পুরষ্কার জিতেছিলেন। এই স্বীকৃতি তাঁর ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল।
তিনি একটি খেলাধুলা কোটা প্রোগ্রামের অধীনে ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনে যোগদান করেন। এই প্রোগ্রাম তাঁকে কর্মরত থাকাকালীন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা করার সুযোগ দেয়।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তিনি সমর্পণ এবং আবেগের সাথে হকিতে তাঁর ক্যারিয়ার চালিয়ে যেতে চান। তাঁর যাত্রা খেলার প্রতি তাঁর অঙ্গীকার এবং খেলায় সাফল্য অর্জনের জন্য তাঁর দৃঢ় সংকল্পকে প্রতিফলিত করে।
এই খেলোয়াড়ের গল্প হলো স্থায়িত্ব এবং সমর্পণের একটি গল্প। প্রথম অনুপ্রেরণা থেকে আঘাত অতিক্রম করে, তিনি হকিতে তাঁর স্থান তৈরি করতে থাকেন।