২০২৪ সালের জুলাই মাসে, ভারতীয় খেলোয়াড় প্রিয়া সিংহ তার কর্মজীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ স্থাপন করে এশিয়ান গেমসে ৪০০ মিটার দৌড়ে সোনার পদক জিতেছেন। এই ইভেন্টটি চীনের হ্যাংঝৌতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে সিংহ ৫০.৭৯ সেকেন্ডে তার ব্যক্তিগত সেরা সময় করেছিলেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Men 77kg | S রুপো |
২০২০ সালে, কেনিয়ার নাইরোবিতে বিশ্ব জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে সিংহ তার আন্তর্জাতিক অভিষেক করেছিলেন। ৪০০ মিটার দৌড়ে তিনি চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিলেন, পোডিয়াম স্থান থেকে খুব কমের জন্য বঞ্চিত হয়েছিলেন।
সিংহের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত কঠিন। তিনি কোচ ড. রাজীব কুমারের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তার দৈনন্দিন কাজের মধ্যে শক্তি প্রশিক্ষণ, সহিষ্ণুতা দৌড় এবং তাত্ত্বিক অভ্যাস সম্পর্কিত অংশ সম্পন্ন করা থাকে।
ড. কুমার সিংহের তাত্ত্বিক পদ্ধতি পরিশোধ এবং তার দৌড়ের রণনীতি উন্নত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে তার নিবেদিততা এবং শৃঙ্খলা তার সফলতার প্রধান কারণ।
২০২৩ সালে, যুক্তরাজ্যের বার্মিংহ্যামে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে সিংহ অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ৪০০ মিটার ফাইনালে ৫১.২৩ সেকেন্ডে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছিলেন।
সেই বছরের পরে, তিনি হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিযোগিতা করেছিলেন। যদিও তিনি সেমি-ফাইনালের পর অগ্রসর হতে পারেননি, তার অভিনয় শ্রেয়সঙ্কটপূর্ণ ছিল।
ভবিষ্যৎ দিকে নজর করে, সিংহ ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের জন্য যোগ্যতা অর্জন করার লক্ষ্য হাতে নিয়েছেন। তিনি তার বিশ্ব র্যাংকিং উন্নত করার এবং আরও অভিজ্ঞতা অর্জন করার জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করার পরিকল্পনা করেছেন।
সিংহ ৪০০ মিটার দৌড়ের জাতীয় রেকর্ড ভেঙে ফেলার লক্ষ্য হাতে নিয়েছেন, যা বর্তমানে ৫০.৭৯ সেকেন্ডে থমকে আছে। তার কোচ বিশ্বাস করেন যে নিরন্তর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
সিংহ তার পরিবারকে তার কর্মজীবনের সারা জীবন অবিরাম সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। তার পিতামাতা তার সবচেয়ে বড় সমর্থক, প্রতিটি প্রধান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।
ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন (এএফআই) প্রশিক্ষণ এবং উন্নয়নের জন্য সম্পদের এবং সুযোগ-সুবিধার প্রদানের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
একটি সাধারণ খেলোয়াড় থেকে এশিয়ান গেমসের সোনার পদক বিজয়ী প্রিয়া সিংহের যাত্রা প্রেরণাদায়ক। তার অর্জন তার কঠোর পরিশ্রম এবং সংকল্পের প্রতিফলন। ভবিষ্যতের লক্ষ্য হাতে নিয়ে তিনি ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সে একজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব থেকে চলে আসছেন।