২০০৫ সালে, একজন ইথিওপিয়ান ক্রীড়াবিদের তার শিক্ষকের দ্বারা ক্রীড়ায় পরিচয় করানো হয়। এটি একটি যাত্রার সূচনা ছিল যা তাকে ক্রীড়ায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে দেখবে। ২০০৯ সালের মধ্যে, তিনি ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক হাজি আদোলির অধীনে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2016 | Women's Marathon | B ব্রোঞ্জ |
| 2012 | Women's Marathon | 22 |
একই বছরে, ম্যারাথন এবং দূরপাল্লার দৌড় প্রতিযোগিতার সংস্থা (এআইএমএস) তাকে বর্ষসেরা মহিলা ম্যারাথন রানার হিসেবে সম্মানিত করে। এই স্বীকৃতি আরও দৃঢ়ভাবে তাকে দীর্ঘ দূরত্বের দৌড়ে একজন শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
বেইজিংয়ে তার জয়টিও ইতিহাস তৈরি করে কারণ তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ম্যারাথনে স্বর্ণ পদক জয়ী প্রথম ইথিওপিয়ান মহিলা ক্রীড়াবিদ হয়ে ওঠেন। এই অর্জন ব্যাপকভাবে উদযাপিত হয়েছিল এবং ইথিওপিয়ার দীর্ঘ দূরত্বের দৌড়ে সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত হয়েছিল।
আকর্ষণীয়ভাবে, তিনি মারে ইব্রাহিমোভা নামে আজারবাইজানের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন অল্প সময়ের জন্য, তারপরে আবার ইথিওপিয়ার হয়ে প্রতিযোগিতা করতে ফিরে এসেছিলেন। এই সময়টি তার কর্মজীবনের একটি অনন্য অধ্যায় ছিল, যা তার বহুমুখীতা এবং অভিযোজন ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।
তার সমগ্র কর্মজীবনে, তিনি ইথিওপিয়ান দীর্ঘ দূরত্বের দৌড়বিদ তিরুনেশ দিবাবা থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করেছেন, যিনি তিনবার অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন। দিবাবার অর্জন অনেক ক্রীড়াবিদের জন্য, এই সাফল্য অর্জনকারী দৌড়বিদ সহ, একটি নির্দেশিকা।
২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত, তিনি ক্রীড়ায় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বজায় রয়েছেন, তার কর্মজীবনকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এবং আগামী ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রাণিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষকের দ্বারা ক্রীড়ায় পরিচয় করানো থেকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া পর্যন্ত তার যাত্রা তার নিবেদন এবং কঠোর পরিশ্রমের প্রমাণ।