খেলাধুলার জগতে, কাঠমিস্ত্রি থেকে অ্যাথলেটে রূপান্তরিত হওয়া কাহিনী কেবলমাত্র নিবেদন ও স্থিতিস্থাপকতার সারমর্মকে ধারণ করে থাকে। এই খেলোয়াড়, যিনি ইংরেজি এবং ফার্সি উভয় ভাষায় কথা বলতে পারেন, তেহরান, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানে সাত বছর বয়সে তার তীরন্দাজির যাত্রা শুরু করেছিলেন।

জাতীয় কোচ মিলাদ ভাজিরি এবং ব্যক্তিগত কোচ রাহা শাবানির নির্দেশনায়, তিনি শীর্ষ মানের প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। তাদের দক্ষতা একজন তীরন্দাজ হিসেবে তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
2024 সালে, তিনি কাঁধের আঘাতের কারণে দুই মাসের জন্য বাদ পড়ে যান, যা তার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ব্যর্থতা ছিল। এই চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, তার দৃঢ়সংকল্প তাকে পুনরুদ্ধার এবং প্রতিযোগিতায় ফিরিয়ে আনে।
তার সবচেয়ে স্মরণীয় অর্জনগুলির মধ্যে একটি হল 2023 সালে চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্রে হাংঝোতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান পারা গেমসে সোনা জয়। এই জয় তার কঠিন পরিশ্রম এবং ধৈর্যের প্রমাণ।
তিনি কোরিয়ান তীরন্দাজ কিম উ-জিন থেকে অনুপ্রেরণা পান এবং তার স্ত্রীকে তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব হিসেবে বিবেচনা করেন। তার নির্দেশিকা দর্শন সহজ কিন্তু গভীর: "ভয় ছাড়া খেলো"।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট—প্যারালিম্পিক গেমসে সোনা জিততে। এই লক্ষ্য তাকে প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতায় আরও বেশি চাপ প্রয়োগের জন্য অনুপ্রাণিত করে।
তীরন্দাজির বাইরে, তিনি ভিডিও গেম খেলতে পছন্দ করেন। এই শখ তাকে তার তীব্র প্রশিক্ষণের সময়সূচীর সাথে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
তেহরান থেকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জনের এই খেলোয়াড়ের যাত্রা উৎসাহ, স্থিতিস্থাপকতা এবং অ揺るぎない উচ্চাকাঙ্ক্ষার একটি গল্প। প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে, তার চোখ স্পষ্টভাবে প্যারালিম্পিক গৌরব অর্জনের জন্য নির্ধারিত।