ইরানের শিরাজে বসবাসকারী একজন ক্রীড়াবিদ, যাকে "আইসম্যান" নামে ডাকা হয়, গ্রেকো-রোমান কুস্তিতে বিশ্বব্যাপী উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। শিরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে খেলাধুলায় পদার্থবিদ্যার পটভূমি নিয়ে, তিনি তার পরিবারের কুস্তির প্রতি আগ্রহ থেকে গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছেন। তার মা এমনকি খেলাটি নিবিড়ভাবে অনুসরণ করেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2021 | Men's 67kg | G সোনার |
তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্যের মধ্যে রয়েছে টোকিও ২০২০ অলিম্পিকে ৬৭ কেজি শ্রেণিতে স্বর্ণ পদক এবং ২০২১ সালে নরওয়ের অসলোতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণ পদক জয়। এই জয়গুলো আন্তর্জাতিক মঞ্চে তাকে একজন শীর্ষ কুস্তিগীর হিসেবে স্থান দিয়েছে।
তার জাতীয় কোচ, হাসান রাঙ্গরাজ, তার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তবে, তার যাত্রা চ্যালেঞ্জ ছাড়া ছিল না। ২০২3 সালে, তিনি চোখে আঘাত পেয়েছিলেন যা তাকে অস্থায়ীভাবে বিরত রেখেছিল।
তার দক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ, তাকে ইউনাইটেড ওয়ার্ল্ড রেসলিং এশিয়ার দ্বারা ২০২১ সালের এশিয়ার সেরা গ্রেকো-রোমান কুস্তিগীর নির্বাচিত করা হয়েছিল। এই পুরষ্কার তার অসাধারণ প্রতিভা এবং খেলার প্রতি তার নিবেদনকে উজ্জ্বল করে তুলেছে।
২০১৯ সালে, তিনি ৭২ কেজি বিভাগে প্রতিযোগিতা করেছিলেন, সিয়ানে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে এবং বুদাপেস্টে বিশ্ব U23 চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণ পদক জিতেছিলেন। তবে, তিনি ২০২০ সালে টোকিও অলিম্পিকের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য ৬৭ কেজি বিভাগে ফিরে এসেছিলেন। এই সিদ্ধান্ত সফল প্রমাণিত হয়েছে কারণ তিনি টোকিওতে স্বর্ণ পদক অর্জন করেছিলেন।
২০২১ সালের এপ্রিলে, তিনি কাজাখস্তানের আলমাটিতে এশিয়ান অলিম্পিক বাছাইপর্বের মাধ্যমে টোকিও অলিম্পিকে তার স্থান অর্জন করেছিলেন। এর অর্থ হল, তিনি তার বড় ভাই মোহাম্মদ আলিকে অলিম্পিকে যোগদান করবেন। তিনি একটি কুস্তি পরিবার থেকে আসার গর্ব প্রকাশ করেছিলেন এবং তার ভাইয়ের সমর্থন উপভোগ করেছিলেন।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, তিনি ২০২৪ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত অলিম্পিকে প্রতিযোগিতা করার লক্ষ্য রাখেন। এই লক্ষ্য তার ক্রমাগত শ্রেষ্ঠত্বের প্রতি অঙ্গীকার এবং বিশ্বব্যাপী মঞ্চে ইরানের প্রতিনিধিত্ব করার ইচ্ছা প্রতিফলিত করে।
একটি শক্তিশালী সমর্থন ব্যবস্থা এবং সাফল্যের ইতিহাসের সাথে, এই ক্রীড়াবিদের যাত্রা একটি পর্যবেক্ষণ, কারণ তিনি ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।