তিনি ছয় বছর বয়সে ভিন্নিতসিয়ার অলিম্পিক রিজার্ভ স্কুলে অ্যাথলেটিকসের যাত্রা শুরু করেন। খেলাধুলার প্রতি তার আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই স্পষ্ট ছিল, যা তার কর্মজীবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছিল।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2008 | Women Heptathlon | G সোনার |
| 2004 | Women Heptathlon | 8 |
২০০৮ সালে, তিনি অলিম্পিক স্বর্ণ পদক জিতেছিলেন, যা তাকে জাতীয় খেলাধুলায় সম্মানিত মাস্টার অফ স্পোর্ট খেতাব অর্জন করে। এই স্বীকৃতি তার কর্মজীবনের উচ্চতম বিন্দু চিহ্নিত করেছে, তার অসাধারণ প্রতিভা এবং কঠোর পরিশ্রম উদযাপন করে।
২০১০ সালে, তাকে মিস স্পোর্টস ইউক্রেন নামকরণ করা হয়েছিল, যা খেলাধুলা সম্প্রদায়ে তার প্রভাবশালী উপস্থিতি তুলে ধরে। এই পুরষ্কার তার সাফল্যের তালিকাতে যোগ করে, তার শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়াবিদের মর্যাদা আরও দৃঢ় করে।
তার বড় বোন, ভিক্টোরিয়া ডোব্রিনস্কা, একজন পেন্টাথলেট। পরিবারের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি এই ভাগ করে নেওয়া আগ্রহ তাদের খেলাধুলার প্রতি অঙ্গীকার এবং একে অপরের কর্মজীবনের প্রতি পারস্পরিক সমর্থনকে জোরদার করে।
২০১২ সালের মার্চ মাসে, ক্যান্সারের সাথে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তার স্বামী এবং কোচ, ডিমিত্রো পোলিয়াভ, মারা যাওয়ার পর তিনি একটি উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিগত ক্ষতির সম্মুখীন হন। এই ঘটনা তার জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং সময় ছিল, তার ব্যক্তিগত এবং পেশাগত জীবনের উভয়কেই প্রভাবিত করে।
২০২৪ সালের জুলাই থেকে, তিনি অ্যাথলেটিকসের ক্ষেত্রে অবদান রাখা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তার ভবিষ্যতের লক্ষ্যগুলিতে তরুণ ক্রীড়াবিদদের প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং খেলাধুলার শিক্ষা প্রচার করা অন্তর্ভুক্ত। এই পরিকল্পনাগুলি খেলাধুলার প্রতি তার অব্যাহত প্রতিশ্রুতি এবং পরবর্তী প্রজন্মের ক্রীড়াবিদদের অনুপ্রাণিত করার ইচ্ছা প্রতিফলিত করে।
অ্যাথলেটিকসে তার যাত্রা প্রাথমিক শুরু, উল্লেখযোগ্য সাফল্য এবং ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ দ্বারা চিহ্নিত। তার গল্প খেলাধুলা সম্প্রদায়ের অনেককেই অনুপ্রাণিত করে।