নিওলা স্পিরিগ, একজন সুপরিচিত সুইস ট্রাইঅ্যাথলেট, ১৯৯২ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে এই খেলা শুরু করার পর থেকে তার কর্মজীবনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। ট্রাইঅ্যাথলনে তার যাত্রা তার পিতামাতার দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিল, যারা ছিলেন খেলাধুলা শিক্ষক। তার পিতা স্থায়িত্বশীল খেলাধুলায় তার সম্ভাবনা স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2021 | Women's Olympic Distance | 6 |
| 2021 | Mixed Team Relay | 7 |
| 2016 | Women's Olympic Distance | S রুপো |
| 2012 | Women's Olympic Distance | G সোনার |
| 2008 | Women's Olympic Distance | 6 |
| 2004 | Women's Olympic Distance | 19 |
তার সবচেয়ে স্মরণীয় অর্জন হলো ২০1২ সালে লন্ডন অলিম্পিকে একক স্বর্ণ জয়। তিনি ২০16 সালে রিও ডি জেনিরো অলিম্পিকে একক রৌপ্যও জিতেছিলেন, দুটি অলিম্পিক পদক জয়ী প্রথম সুইস ট্রাইঅ্যাথলেট হয়ে।
২০০৬ সাল থেকে স্পিরিগ অস্ট্রেলীয় কোচ ব্রেট স্যুটনের অধীনে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ২০২০ সালের টোকিও অলিম্পিকের আগে, তিনি সুইস রোড সাইক্লিং জাতীয় কোচ মাইকেল আলবাসিনির সাথে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। টোকিওর আবহাওয়ার সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য, তিনি ওয়েটসুট পরে সাঁতার কাটা এবং সোনার তাঁবুতে বাইক চালানোর মতো বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন।
তার কর্মজীবন জুড়ে, স্পিরিগ বেশ কয়েকটি আঘাতের সম্মুখীন হয়েছেন। ২০২০ সালের জুলাই মাসে তিনি তার বাম হাত ভেঙে ফেলেছিলেন, কিন্তু ছয় সপ্তাহ পরে প্রতিযোগিতায় ফিরে এসেছিলেন। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে বাইক দুর্ঘটনায় তার বাম হাত ভেঙে গিয়েছিল, কিন্তু তিন সপ্তাহ পরে প্রশিক্ষণ শুরু করেছিলেন। ২০০৪, ২০০৬ এবং ২০১১ সালে তার পায়ের হাড়ে স্ট্রেস ফ্র্যাকচারও হয়েছিল।
স্পিরিগ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন। ২০১৫ সালে তাকে ইউরোপীয় ট্রাইঅ্যাথলন ইউনিয়নের বর্ষসেরা মহিলা অ্যাথলেট এবং ২০১২ সালে সুইস বর্ষসেরা মহিলা অ্যাথলেট নির্বাচিত করা হয়েছিল। ২০০৮, ২০১০ এবং ২০১২ সালে তিনি জুরিখ থেকে স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছিলেন।
নিওলা স্পিরিগ তার স্বামী রেটো হাগের সাথে জুরিখে বাস করেন, একজন প্রাক্তন ট্রাইঅ্যাথলেট যিনি তিনটি অলিম্পিক খেলায় সুইজারল্যান্ডের হয়ে প্রতিযোগিতা করেছিলেন। তাদের তিনটি সন্তান রয়েছে: ইয়ানিস (জন্ম ২০১৩), মেল (জন্ম ২০১৭) এবং অ্যালেক্সিস (জন্ম ২০১৯)। স্পিরিগ বহুভাষী, ইংরেজি, ফরাসি এবং জার্মান ভাষায় কথা বলেন।
২০২১ সালের জানুয়ারিতে, স্পিরিগ আট ঘন্টার মধ্যে আয়রনম্যান ট্রাইঅ্যাথলন সম্পন্ন করার লক্ষ্য ঘোষণা করেছিলেন। এই চ্যালেঞ্জের লক্ষ্য ফোনিক্স ফাউন্ডেশনের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা, যা খেলাধুলায় যুবকদের অংশগ্রহণকে সমর্থন করে। তিনি এটিকে তার কর্মজীবনের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জগুলির মধ্যে একটি বলে মনে করেন তবে আশা করেন এটি অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।
২০১৪ সাল থেকে, স্পিরিগ সুইজারল্যান্ড জুড়ে নিওলা স্পিরিগ কিডস কাপ চালু করেছেন। এই উদ্যোগটি তার ফাউন্ডেশনের অংশ যা শিশুদের ট্রাইঅ্যাথলনে যুক্ত করার জন্য তাদের খেলাটির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
নিওলা স্পিরিগের কর্মজীবন স্থিতিস্থাপকতা এবং নিবেদনময়তার দ্বারা চিহ্নিত। তার অর্জন বিশ্বব্যাপী অনেক তরুণ অ্যাথলেটকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।