রাত্তিকান গুলনোই, যাকে পোর্ক নামেও ডাকা হয়, ওজনোত্তোলনে বিশ্বে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। থাইল্যান্ডে জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা তিনি ১৩ বছর বয়সে সুরিনে এই খেলার সাথে যুক্ত হন। একজন স্থানীয় প্রশিক্ষক তাকে ওজনোত্তোলন শেখান, যা তাকে আন্তর্জাতিক সফলতার দিকে পরিচালিত করে।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Women's 58kg | B ব্রোঞ্জ |
২০১১ সালে ইন্দোনেশিয়ায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া খেলায় থাইল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করে গুলনোই আন্তর্জাতিক অভিষেক করেন। এটি বিশ্ব দরবারে তার যাত্রার সূচনা করে, যেখানে তিনি আজও সাফল্য অর্জন করেছেন।
২০১২ সালে গুলনোই লন্ডন অলিম্পিক খেলায় ৫৮ কেজি শ্রেণিতে অংশগ্রহণ করেন। প্রথমে চতুর্থ স্থান অর্জন করলেও, ২০16 সালে তাকে ব্রোঞ্জ পদক প্রদান করা হয়। ইউক্রেনীয় খেলোয়াড় ইউলিয়া কালিনা ডোপিং লঙ্ঘনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হওয়ার পর এই উন্নতি ঘটে।
গুলনোই বর্তমানে থাইল্যান্ডের চিয়াং মাইয়ে বাস করেন। তিনি থাই ভাষায় পারদর্শী, যা তার মাতৃভাষা। তার শিকড়ের সাথে তার সংযোগ শক্তিশালী থাকে কারণ তিনি তার নিজ দেশে বাস করেন এবং প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে গুলনোই উচ্চতম পর্যায়ে ওজনোত্তোলনে প্রতিযোগিতা চালিয়ে যেতে চান। খেলা এবং তার দেশের প্রতি তার নিবেদন অটল থাকে কারণ তিনি আন্তর্জাতিক দরবারে আরও সাফল্যের জন্য লড়াই করেন।
সুরিনের একজন ছোট মেয়ে থেকে অলিম্পিক পদক জয়ী হওয়া রাত্তিকান গুলনোইয়ের যাত্রা তার কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ়সংকল্পের প্রমাণ। তার গল্প থাইল্যান্ড এবং তার বাইরে অনেক আশাবাদী খেলোয়াড়কে অনুপ্রাণিত করে।