ইরানের হামাদান অনেক ক্রীড়াবিদ তৈরি করেছে এবং এর একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হলেন একজন কুস্তিগীর যিনি তার যাত্রা শুরু করেছিলেন খুব কম বয়সে। তার বাবা, সাইয়েদ গৌদারজি, ছিলেন তার প্রথম কোচ। এই ক্রীড়াবিদ তার জীবনকে একজন শিক্ষার্থী এবং একজন খেলোয়াড় উভয়ের ভারসাম্য রেখেছেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Men 74kg | S রুপো |
তিনি ইরানের খানেহ কুস্তি প্রতিনিধিত্ব করেন। তার বাবার পাশাপাশি, পেজমান ডোরোস্তকারও তাকে প্রশিক্ষণ দেন। উভয় কোচই ইরান থেকে এসেছেন এবং তার কর্মজীবনে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
তেহরানে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ২০০৯ সালে তার আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়। ইরানের হয়ে প্রতিযোগিতা করে, তিনি প্রথমবারের জন্য বিশ্বাস্তরে তার দক্ষতা প্রদর্শন করেন। এই ইভেন্টটি তার আন্তর্জাতিক কুস্তি ক্যারিয়ারের সূচনা চিহ্নিত করে।
ভবিষ্যতে, তিনি লন্ডনে ২০১২ সালের অলিম্পিক গেমসে পদক জিততে চান। এই লক্ষ্যটি কুস্তিতে সাফল্য অর্জনের জন্য তার অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।
হামাদানে বসবাসকারী এবং ফার্সি ভাষায় দক্ষ, তিনি প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান। স্থানীয় প্রতিযোগিতা থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার যাত্রা কুস্তির প্রতি তার অর্পণ এবং আবেগকে স্পষ্ট করে।