রুমানিয়ার বুখারেস্টে জন্মগ্রহণকারী সান্দ্রা ইজবাসা জিমন্যাস্টিক্সের জগতে নিজের নাম করেছেন। ১৯৯৪ সালে রুমানিয়ায় তিনি এই খেলায় যাত্রা শুরু করেন। শুরুতে তিনি চার বছর বয়সে টেনিস খেলতেন, তারপর তিনি ফেন্সিং এবং জিমন্যাস্টিক্স চেষ্টা করেছিলেন, তারপর হ্যান্ডবলে স্থায়ী হয়েছিলেন। তবে, তার বাবা-মা তাকে জিমন্যাস্টিক্সে ফিরিয়ে আনতে বলেছিলেন, কারণ এটি তার নিজস্ব প্রকৃতি।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Women Vault | G সোনার |
| 2012 | Women Team | B ব্রোঞ্জ |
| 2012 | Women Individual All-Around | 5 |
| 2012 | Women Floor Exercise | 8 |
| 2012 | Women Beam | 14 |
| 2012 | Women Uneven Bars | 67 |
| 2008 | Women Floor Exercise | G সোনার |
| 2008 | Women Team | B ব্রোঞ্জ |
| 2008 | Women Individual All-Around | 8 |
| 2008 | Women Beam | 16 |
| 2008 | Women Uneven Bars | 64 |
তিনি সিএসএস স্টেয়য়া বুখারেস্টের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার প্রশিক্ষণ জাতীয় কোচ অক্টাভিয়ান বেলু এবং কোরিওগ্রাফার পুয়া ভালেরের তত্ত্বাবধানে চলে। তাদের নির্দেশনা একজন শীর্ষ জিমন্যাস্ট হিসেবে তার বিকাশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
সান্দ্রার সবচেয়ে স্মরণীয় ক্রীড়া অর্জন হয়েছিল যখন তিনি ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিক গেমসে ফ্লোর এক্সারসাইজে স্বর্ণপদক জিতেছিলেন। এই জয় তার কর্মজীবনের একটি উজ্জ্বল দিক। তবে, তার যাত্রা চ্যালেঞ্জ ছাড়া ছিল না।
২০০৭ সালে, তিনি তার বাম পায়ের পাতায় সমস্যার সম্মুখীন হন এবং অ্যামস্টারডামে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে মেটাতার্সাল ফ্র্যাকচারে ভুগেছিলেন। পরের বছর, তিনি প্রশিক্ষণের সময় তার অ্যাকিলিস টেন্ডন ছিঁড়ে ফেলেন এবং তার ডান পায়ের একটা হাড় ভেঙে ফেলেন। এই আঘাতগুলির জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন ছিল এবং এর ফলে তিনি লন্ডনে ২০০৯ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে পারেননি।
২০০৮ সালে, সান্দ্রাকে রুমানিয়ান ফেডারেশন জিমন্যাস্ট অফ দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়। জিমন্যাস্টিক্স ছাড়াও, তিনি হ্যান্ডবলে জাতীয় জুনিয়র টাইটেল জিতেছিলেন। তার শখের মধ্যে রয়েছে মেকআপ, সঙ্গীত এবং নৃত্য।
সান্দ্রা রাশিয়ার বহুবার বিশ্ব এবং অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন জিমন্যাস্ট স্বেতলানা খোর্কিনাকে তার আদর্শ হিসেবে মনে করেন। ভবিষ্যতে, তিনি আগামী লন্ডন অলিম্পিকে তার ২০০৮ সালের অলিম্পিক টাইটেল ফ্লোর এক্সারসাইজে রক্ষা করার লক্ষ্য রেখেছেন।
সান্দ্রা ইজবাসার যাত্রা সাফল্য এবং বিপর্যয় দুটোই দ্বারা চিহ্নিত। তার দৃঢ়সংকল্প এবং স্থিতিস্থাপকতা বিশ্বজুড়ে অনেক তরুণ ক্রীড়াবিদকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।