বিখ্যাত ক্রীড়াবিদ এবং রাজনীতিবিদ, শ্রেয়া সিংহ, তাঁর ক্রীড়া ও রাজনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন। ইংরেজি ও হিন্দিতে পারদর্শী, তিনি ভারতের ফরিদাবাদের মানব রচনা আন্তর্জাতিক গবেষণা ও অধ্যয়ন ইনস্টিটিউট থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেছেন।

২০১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসে, শ্রেয়া পিঠের আঘাত পান। এই প্রতিকূলতার মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও, তিনি প্রতিযোগিতা চালিয়ে যান এবং মহিলা ডাবল ট্র্যাপে রৌপ্য পদক জিতে নেন। এই অর্জন তাঁর জীবনীশক্তি এবং খেলার প্রতি নিবেদনতার প্রমাণ।
শুটিংয়ে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ, শ্রেয়া ২০18 সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে অর্জুন পুরস্কার পান। এই সম্মানজনক পুরষ্কার প্রাপ্তদের তাদের নিজ নিজ ক্রীড়ায় অসাধারণ পারফর্ম্যান্সের জন্য প্রদান করা হয়।
শ্রেয়ার পরিবারে শুটিং চলে আসছে। তাঁর দাদু হরি শ্রী এবং তাঁর বাবা দিগ্বিজয় সিং উভয়েই ভারতীয় রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন (NRAI) -এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের জড়িত থাকা নিঃসন্দেহে তাঁর কর্মজীবন পথে প্রভাব ফেলেছে।
২০২০ সালে শ্রেয়া ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ২০২১ সালের নভেম্বরে, তিনি বিহারের জামুই আসনের জন্য বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর ক্রীড়া প্রশিক্ষণ এবং রাজনৈতিক দায়িত্বের সমন্বয় করা চ্যালেঞ্জিং ছিল, কিন্তু ফলপ্রদ।
ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে, শ্রেয়া তাঁর ক্রীড়া ও রাজনৈতিক উভয় ক্ষেত্রেই দক্ষতা অর্জন করতে চান। তিনি আগামী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শুটিং ইভেন্টে অংশগ্রহণ করার পরিকল্পনা করছেন এবং তার পাশাপাশি তাঁর বিধানসভার দায়িত্বের প্রতি মনোযোগ দেবেন।
শ্রেয়া সিংহের যাত্রা তাঁর নিবেদন এবং বহুমুখীতার প্রমাণ। শুটিং এবং রাজনীতিতে তাঁর সাফল্য অনেক আশাবাদী ক্রীড়াবিদ এবং রাজনীতিবিদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।