২০০৬ সালে, সুমিয়া দরজসুরেন উলানবাতার, মঙ্গোলিয়ায় জুডোতে তার যাত্রা শুরু করেন। তার নিষ্ঠা এবং কঠোর পরিশ্রম ফলপ্রসূ হয় যখন তিনি মঙ্গোলিয়ার প্রথম মহিলা জুডোকা হিসেবে অলিম্পিক পদক জিতে নেন। ২০16 সালের রিও ডি জেনিরো অলিম্পিক গেমসে তিনি -57 কেজি বিভাগে রৌপ্য পদক লাভ করেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2021 | Mixed Team | 7 |
| 2021 | Women's 57kg | Last 32 |
| 2016 | Women's 57kg | S রুপো |
| 2012 | Women's 57kg | Last 32 |
সুমিয়া তার পরিবার এবং কোচ খিসিগবাত অর্দেনেত-ওড-কে তার কর্মজীবনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তার আদর্শের মধ্যে রয়েছে তার বোন মুঙ্খবাতারিন বুন্দমা এবং সহযোগী মঙ্গোলীয় জুডোকা তুভশিনবায়ার নাইডান। এই ব্যক্তিরা "ধৈর্য এবং সম্মান" নীতির মাধ্যমে তার খেলাধুলা দর্শন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
সুমিয়ার অর্জন জুডোর বাইরেও বিস্তৃত। তিনি ২০12, ২০13 এবং ২০14 সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে 56 কেজি বিভাগে সোনা জিতে স্যাম্বো কুস্তিতে মঙ্গোলিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। খেলাধুলার ক্ষেত্রে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ২০16 ও ২০17 সালে মঙ্গোলিয়ার জাতীয় অলিম্পিক কমিটি থেকে বোর্টে চোনো পুরষ্কার পান।
অতিরিক্তভাবে, তিনি মঙ্গোলিয়ায় মেরিটেড অ্যাথলেট এবং হিরো অফ লেবার উপাধি ধারণ করেন। এই সম্মাননাগুলো মঙ্গোলীয় খেলাধুলার ক্ষেত্রে তার অসাধারণ অবদানকে উজ্জ্বল করে তোলে।
তার কর্মজীবন জুড়ে, সুমিয়া হাঁটুতে আঘাতের মতো চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন। এই বিপর্যয় সত্ত্বেও, তিনি তার খেলাধুলায় দক্ষতা অর্জন করে চলেন, স্থিতিস্থাপকতা এবং দৃঢ়সংকল্প প্রদর্শন করেন।
সুমিয়ার বোন, মুঙ্খবাতারিন বুন্দমা, জুডো এবং স্যাম্বো কুস্তিতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। বুন্দমা ২০০৮ এবং ২০12 সালের অলিম্পিক গেমসে জুডোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তিনি ২০14 সালে চেলিয়াবিঙ্স্কে অনুষ্ঠিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে মহিলা দলগত ইভেন্টে রৌপ্য জিতেছিলেন এবং ২০10 সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে -52 কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।
বুন্দমা ২০০5 এবং ২০০7 সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে স্যাম্বো কুস্তিতে সোনা জিতেছিলেন। এই পারিবারিক উৎকর্ষতা ঐতিহ্য সুমিয়াকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
ভবিষ্যতে, সুমিয়া তরুণ অ্যাথলেটদের প্রশিক্ষণ এবং পরামর্শের মাধ্যমে খেলাধুলার ক্ষেত্রে অবদান রাখতে চান। তার বিস্তৃত অভিজ্ঞতা এবং অর্জন তাকে পরবর্তী প্রজন্মের জুডোকাদের জন্য মূল্যবান সম্পদ করে তোলে।
সুমিয়া দরজসুরেনের উলানবাতার থেকে বিশ্বব্যাপী মঞ্চ পর্যন্ত যাত্রা তার জুডো প্রতি নিষ্ঠা এবং আগ্রহের প্রমাণ। তার অর্জন মঙ্গোলিয়াকে গর্বিত করেছে এবং ভবিষ্যতের অ্যাথলেটদের জন্য একটা মানদণ্ড স্থাপন করেছে।