জ্যামাইকার কিংবদন্তি স্প্রিন্টার ইউসেইন বল্ট বিশ্বের অ্যাথলেটিক্সের উপর অমোঘ ছাপ ফেলেছেন। জ্যামাইকার ট্রেলওয়ানিতে জন্মগ্রহণকারী বল্ট উইলিয়াম কনিব মেমোরিয়াল হাই স্কুলে তার স্প্রিন্ট যাত্রা শুরু করেন। ৮০ মিটার হার্ডলস প্রতিযোগিতায় তার প্রথম পদক লাভের মাধ্যমে একটি ভাবী বিখ্যাত ক্যারিয়ারের সূচনা হয়।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2016 | Men's 100m | G সোনার |
| 2016 | Men's 200m | G সোনার |
| 2016 | Men's 4 x 100m Relay | G সোনার |
| 2012 | Men's 100m | G সোনার |
| 2012 | Men's 200m | G সোনার |
| 2012 | Men's 4 x 100m Relay | G সোনার |
| 2008 | Men's 100m | G সোনার |
| 2008 | Men's 200m | G সোনার |
| 2004 | Men's 200m | 40 |
বল্ট কিংস্টনে রেসার্স ট্র্যাক ক্লাবে যোগদান করেন এবং ২০০৪ সাল থেকে গ্লেন মিলসের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। "লাইটনিং বল্ট" নামে পরিচিত, তিনি অসংখ্য পুরস্কার জিতেছেন, যার মধ্যে চারবার লরেয়াস ওয়ার্ল্ড স্পোর্টসম্যান অফ দ্য ইয়ার পুরষ্কার এবং ২০০৯ সালে জ্যামাইকার অর্ডার অফ জ্যামাইকা পুরষ্কার ।
বল্ট তার ক্যারিয়ারের সারা সময় বেশ কয়েকটি আঘাতের সম্মুখীন হয়েছেন। ২০১৫ সালে পেলভিক আঘাতের কারণে তাকে ডায়মন্ড লীগ ইভেন্ট থেকে বেরিয়ে যেতে হয়। তবে তিনি পুনরুদ্ধার করে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে প্রতিযোগিতা করেন। তিনি ২০14 সালে পায়ের অস্ত্রোপচারও করেন এবং ২০১৩ সালে হ্যামস্ট্রিং টান পান।
বল্টের অর্জন অনন্য। ২০১3 সালে তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে দুটি স্প্রিন্ট ডাবল সম্পন্ন করেন। পরে ২০১5 সালে তিনি তৃতীয় স্প্রিন্ট ডাবল অর্জন করেন। তিনি ২০০৯ সালে ১০০ মিটার এবং ২০০ মিটার উভয় ক্ষেত্রেই বিশ্ব এবং অলিম্পিক উভয় টাইটেল ধারণকারী প্রথম পুরুষ।
অ্যাথলেটিক্সের বাইরে, বল্ট কিংস্টনে "ট্র্যাকস এন্ড রেকর্ডস" নামে একটি বারের মালিক, যেখানে জ্যামাইকার ফিউশন খাবার এবং ব্র্যান্ড বল্ট পণ্য সরবরাহ করা হয়। তিনি জ্যামাইকার শিশুদের জন্য শিক্ষা এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নের মাধ্যমে অবसर তৈরির জন্য ইউসেইন বল্ট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
লন্ডনে ২০17 সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পর বল্ট তার অবসরের ঘোষণা দেন, যেখানে তিনি কেবলমাত্র ১০০ মিটার ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেন। তার নামে অসংখ্য রেকর্ড এবং পুরষ্কার সহ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ স্প্রিন্টারদের একজন হিসেবে তার ঐতিহ্য টিকে আছে।
একজন যুবক ক্রিকেটার থেকে বিশ্বখ্যাত স্প্রিন্টার পর্যন্ত বল্টের যাত্রা তার সমর্পণ এবং প্রতিভা প্রমাণ করে। অ্যাথলেটিক্সে তার অবদান এবং তার পরোপকারমূলক কাজ বিশ্বজুড়ে অনেককে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।