চীনের বেইজিং-এ অবস্থিত এই ক্রীড়াবিদ ওজনোত্তোলনের জগতে উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিয়েছেন। তিনি ২০১০ সালে মাত্র ১১ বছর বয়সে চীনের জনগণের প্রজাতন্ত্রের নানপিং-এ তার যাত্রা শুরু করেন। নানপিং স্পোর্টস স্কুলের একজন কোচের দ্বারা স্কাউট করা হয়, তিনি খুব দ্রুত ক্রীড়ায় প্রতিশ্রুতি দেখান।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Men's 56kg | S রুপো |
তিনি চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার জাতীয় কোচ, ইউ জি, বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় তাকে নির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
তিনি ২০১০ সালে বিশ্বকাপে চীনের হয়ে প্রতিযোগিতা করে আন্তর্জাতিক অভিষেক করেন। এটি বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডে তার যাত্রার শুরু চিহ্নিত করে।
তাঁর সবচেয়ে স্মরণীয় অর্জনের মধ্যে ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে রৌপ্য পদক জয় করা। এই অর্জন তার কর্মজীবনে একটি উজ্জ্বল দিক হিসেবে থাকে।
তার কর্মজীবনে সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হলেন তার পিতা। এছাড়াও, তিনি তুর্কি ওজনোত্তোলক হালিল মুতলুকে তার আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করেন।
ওজনোত্তোলনের বাইরে, তিনি ছবি তোলা এবং সঙ্গীত উপভোগ করেন। এই শখ তার কঠোর প্রশিক্ষণ নির্ধারিত সময়সূচির সাথে ভারসাম্য স্থাপন করে।
তার কর্মজীবনে, তিনি হাত ও কোমড়ের সমস্যাসহ বিভিন্ন আঘাতের সম্মুখীন হয়েছেন। এই চ্যালেঞ্জগুলির পরিপ্রেক্ষিতেও, তিনি উচ্চ স্তরে প্রতিযোগিতা করতে থাকেন।
২০২৪ সালের জুলাই মাসের হিসাবে, তিনি প্রতিযোগিতা চালিয়ে যেতে চান এবং আগামী আন্তর্জাতিক ঘটনায় অংশগ্রহণ করার লক্ষ্য raखেছেন। আগামী প্রতিযোগিতার প্রতি তার নিবেদন অটল থেকে তার কর্মজীবনের পরবর্তী পর্যায়ে আরও সফলতা লাভ করতে সাহায্য করবে।
এই ক্রীড়াবিদের যাত্রা, ছোট বেলায় স্কাউট করা থেকে আন্তর্জাতিক সফলতা লাভ করার পর্যন্ত, তার কঠোর পরিশ্রম এবং প্রত্যয় এর প্রমাণ। তার কাহিনী বিশ্বজুড়ে অনেক আশাবান ওজনোত্তোলকদের প্রেরণা দিচ্ছে।