তিনি ১১ বছর বয়সে এথলেটিক্সে তার যাত্রা শুরু করেন। প্রথমে বিভিন্ন খেলাধুলায় প্রশিক্ষণ নিয়ে, তার কোচ তার দীর্ঘ লাফ এবং ট্রিপল জাম্পের প্রতিভা আবিষ্কার করেন। এই আবিষ্কারের ফলে, কোচ মিলান মাতোসের তত্ত্বাবধানে এই শাখা দুটিতে তিনি নিবেদিতপ্রাণ প্রশিক্ষণ শুরু করেন।

| Season | Event | Rank |
|---|---|---|
| 2012 | Women Triple Jump | 8 |
| 2008 | Women Triple Jump | B ব্রোঞ্জ |
| 2008 | Women's Long Jump | 15 |
২০০৭ এবং ২০10 সালে তাকে ক্যুবার বর্ষসেরা অ্যাথলিট হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ডান বাইসেপস ফেটে যাওয়ার কারণে তার কর্মজীবনে বিঘ্ন পড়ে। এই আঘাতের ফলে তিনি ২০১১ সালের প্যান আমেরিকান গেমস ছুঁতে পারেন নি।
২০০৫ সালে তিনি ক্যুবার জাতীয় দলের সাথে ইউরোপ ভ্রমণে যান। দীর্ঘ লাফ প্রতিযোগিতার অভাবের কারণে তার কোচ তাকে আবার ট্রিপল জাম্প চেষ্টা করার পরামর্শ দেন। তার প্রাথমিক ফলাফল আশাজনক ছিল। এর ফলে তিনি দুটি ইভেন্টেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে থাকেন।
২০০৭ সালে তিনি ১৫ মিটারের ওপরে লাফ দিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অর্জন করেন। স্পেনের আলকলায় একটি মিটিংয়ে তিনি ১৫.০৯ মিটার লাফ দিয়ে একটি দীর্ঘদিনের স্বপ্ন সাড়িয়ে তোলেন।
এথলেটিক্সের বাইরে তিনি চলচ্চিত্র বা সোপ অপেরা দেখতে পছন্দ করেন এবং রেগি, হিপ-হপ এবং শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শুনতে পছন্দ করেন।
ভবিষ্যতের জন্য, তিনি লন্ডনে ২০১২ সালের অলিম্পিক খেলায় সোনা জিততে চান। এই মহত্ত্বাভিলাষ তার খেলাধুলায় সফলতা অর্জনের প্রতি তার নিবেদন এবং প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে।
তার প্রতিভা আবিষ্কার থেকে আন্তর্জাতিক সফলতা অর্জন পর্যন্ত তার যাত্রা তার লचीলাতা এবং সংকল্প প্রদর্শন করে। আঘাত এবং চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও তিনি এথলেটিক্সে সফলতা অর্জন করার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।