
সুনীল ছেত্রি (ভারত)
ভারতের বর্তমান দলের আক্রমণভাগের প্রধান ভরসা সুনীল সেই সময় ছিলেন ২৬ বছরের তরতাজা যুবক। ভারত হারলেও সেই ম্যাচে একটি গোলও করেছিলেন তিনি। এশিয়ান কাপে সেটিই তাঁর প্রথম গোল।
|
আবদুলওয়াহাব আল-সফি (বাহরিন)
বাহরিনের বর্তমান অধিনায়ক আল-সফি ২০১১ সালেও মাঝমাঠ সামলানোর দায়িত্বে ছিলেন। তবে সেই ম্য়াচে কিন্তু তাঁর জন্যই ভারত একটি ফ্রিকিক পেয়েছিল। রেনেডি সিং নিয়েছিলেন সেই ফ্রিকিক। তা থেকেই গোল পেয়েছিলেন গৌরামাঙ্গি সিং।

গুরপ্রিত সিং সান্ধু (ভারত)
২০১১ সালের দলে সুব্রত পাল ছিলেন ১ নম্বর গোলরক্ষক। এছাড়া দলে ছিলেন শুভাশীষ রায়চৌধুরিও। গুরপ্রিত ছিলেন দলের তিন নম্বর গোলরক্ষক। ১৮ বছরের গুরপ্রিতকে হাউটন গোটা টুর্নামেন্ট বেঞ্চেই রেখেছিলেন। তারপরের ৮ বছরের অবশ্য গুরপ্রিতের ঝুলিতে নরওয়ের ক্লাব স্তাবেকের হয়ে ইউরোপা লিগ খেলা প্রথম ভারতীয় ফুটবলার হওয়ার মতো সম্মান জুড়েছে। গত তিন বছরে তিনি ভারতীয় দলের প্রধান গোলরক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
|
ওয়ালিদ আল হায়াম (বাহরিন)
গুররপ্রিতের মতো আল হায়াম-ও ২০১১ সালে দলের জয় দেখেছিলেন সাইডলাইনের বাইরে থেকেই। সেই সময় তাঁকে ১০ নম্বর জার্সি দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে মাঝমাঠের ফুটবলার হিসেবেই দলে নেওয়া হয়েছিল। গত আট বছরে কিন্তু তিনি নিজেকে মাঝমাঠ থেকে সরিয়ে রক্ষণে প্রতিষ্ঠা করেছেন। মিরোস্লাভ সোকুপের দবলে আল হায়াম খেলেন লেফ্ট সেন্টার হাফ পজিসনে।


Click it and Unblock the Notifications




















