সারা ম্যাচে কোনও ব্রেক থ্রু-ই পেল না পোল্যান্ড। ৯০ মিনিট দাপিয়ে খেলে পোল্যান্ড বধ করে বিশ্বকাপে তাঁদের অস্তিত্বের জানান দিলেন রডরিগেজরা। আক্রমণকে সম্বল করে এদিনের ম্যাচে নেমেছিল পেকেরম্যানের কলম্বিয়া। ৪০ মিনিটে সেই আক্রমণের ফসল পেতেই চওড়া হাসি আর্জেন্টাইন কোচের মুখে। তখনই তিনি যেন পড়ে ফেলেছিলেন ম্যাচের ভাগ্য।
কলম্বিয়া গোল পেয়ে যেতে দ্বিতীয়ার্ধে আরও পরিকল্পনামাফিক ফুটবল থেলল। খেলায় ফেরার কোনও জায়গাই দিল না পোল্যান্ডকে। লিউয়েনডস্কিদের নড়াচড়া বন্ধ করে কলম্বিয়ানরা রাজ করে গেলেন গোলা মাঠে। আর এই জয়ে কলম্বিয়াকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন হামেশ রডরিগেজ। চোট সারিয়ে ফিরেই তিনি বোঝালেন তিনিই মাঠের নেতা। তাঁর বাড়ানো বল থেকেই জোড়া গোল পেল কলম্বিয়া।
জাপান ম্যাচে দু-মিনিটে পেনাল্টি উপহার দিয়ে শেষ হয়ে গিয়েছিল কলম্বিয়া। এদিন তেমন কোনও ভুলচুক করেনি দল। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় আক্রমণকেই একমাত্র গতি ভেবেছিলেন পেকেরম্যান। সেই লক্ষ্য নিয়েই প্রথম মিনিট থেকেই কলম্বিয়া আক্রমণে ঝড় তুলেছিল পোল্যান্ডের বক্সে। তারই ফলও পেল হাতেনাতে। গ্রুপ এইচের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পোল্যান্ডকে পরিষ্কার ৩-০ গোলে হারিয়ে নিজেদেরকে সুবিধাজনক জায়গায় নিয়ে গেল ফালকাও-রডরিগেজরা। সেইসঙ্গে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় হয়ে গেল পোল্যান্ডের।