
করোনার ভয়াবহ প্রভাব
করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বিশ্ব জুড়ে তিন হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আক্রন্তের সংখ্যা নব্বই হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। চিন, জাপান, উত্তর কোরিয়া ও মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলি ঘুরে করোনা থাবা বসিয়েছে ইউরোপের ইতালিতেও। সে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১০৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আক্রন্ত হয়েছেন ২৫০২ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ইতালি সরকার।

ম্যাচ স্থগিত
করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে মঙ্গলবার তুরিনে জুভেন্তাস বনাম এসি মিলানের ম্যাচ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। কোপা ইতালিয়া সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। অন্যদিকে নাপোলি ও ইন্টার মিলানের মধ্যে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালও স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে করোনা ভাইরাসের প্রভাব থেকে বাঁচতেই। একই কারণ চলতি সপ্তাহে ইতালিয় লিগ সিরি এ-র বেশ কয়েকটি ম্যাচও স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এভাবে কতদিন
কিন্তু এভাবে খেলা স্থগিত হতে থাকলে, তা বিশ্ব ফুটবল সূচির ওপর প্রভাব ফেলবে। ১২ জুন থেকে শুরু হওয়ার কথা উয়েফা ইউরো কাপের। তার আগে ইতালিয় লিগ শেষ করতে না পারাটা বিফলতা হিসেবেই দেখা হবে। তাই করোনা ভাইরাস আতঙ্কের মধ্যেই সিরি এ সহ সব ফুটবল টুর্নামেন্ট চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি সরকার। সেই সঙ্গে এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত দর্শকশূণ্য মাঠেই হবে সব ফুটবল ম্যাচ। ফুটবলার, দলের সাপোর্ট স্টাফ, কর্মকর্তাদের করোনা রুখতে সরকারের নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে। ম্যাচ তো বটেই, ফুটবলারদের ইন্ডোর ও আউটডোর অনুশীলন এবং জিম সেশনেও বাইরের কোনও ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতালিয় ফুটবল সংস্থা ও সে দেশের সব ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে কথা বলেই সরকারের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

ইউরো কাপ
চলতি বছরের ১২ জুন থেকে শুরু হওয়ার কথা ইউরো কাপ। শেষ হবে ১২ জুলাই। এই প্রথম নির্দিষ্ট কোনও দেশের পরিবর্তে বিশ্বের ১২টি শহরে হবে বিভিন্ন ম্যাচ। কিন্তু করোনা ভাইরাস যেভাবে বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলছে, তাতে টুর্নামেন্ট আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে উয়েফা।


Click it and Unblock the Notifications



















