মাত্র তিন সপ্তাহ ব্যবধানে দুজনের জন্ম একই শহরে। তারপর ১২ বছর একসঙ্গে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাই দুজনের সহমিলেই এল জয়। একজন গোল করলেন, একজন করালেন। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক হতে পারেন কাভানি, কিন্তু রোনাল্ডোদের বিরুদ্ধে সুয়ারেজের অবদান কোনও অংশ কম নয়।
অনেকেই এই ম্যাচকে লা লিগার এল ক্লাসিকোর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। দেখিয়েছিলেন রিয়ালের রোনাল্ডো আর বার্সার সুয়ারেজের দ্বৈরথের তত্ত্ব। আর সেই লড়াই দেখিয়ে এবার রিয়াল তারকাদেরই জয় হচ্ছে বিশ্বকাপে এমনও ব্যাখ্যা উঠে এসেছিল ম্যাচ প্রিভিউয়ে। তাই কি বাড়তি তেতে গিয়েছিলেন সুয়ারেজ।
এদিন সুয়ারেজের খেলায় ছিল অসম্ভবরকম তাগিদ। যে তাগিদ মেসি-রোনাল্ডোদেরও লক্ষ্য করা যায়নি। এদিন তেমনই তাগিদ থেকে এল প্রথম গোলের পাস। সুয়ারেজের পাস থেকে কাভানি ততোধিক দক্ষতায় গোল করে গেলেন। পুরো ম্যাচেই সুয়ারেজ নেতৃত্ব দিয়েছেন দলকে। আক্রমণভাগে একা কুম্ভ হয়ে লড়াই চালিয়ছেন।
The @Budweiser #ManoftheMatch for #URUPOR was @Uruguay's @ECavaniOfficial! pic.twitter.com/nSQKnMfKBK
— FIFA World Cup 🏆 (@FIFAWorldCup) June 30, 2018
তবে প্রথম থেকে আগুয়ান উরুগুয়ের বিরুদ্ধে গোল করে পর্তুগাল যখন সমতায় ফিরেছিল, তারপর কাভানির আবার গোলই তাঁকে ম্যাচের নায়ক বানিয়ে দিয়েছে। আর এদিন সুয়ারেজ অদম্য তৎপরতা দেখিয়েও রয়ে গিয়েছেন সহ নায়কের মর্যাদায়। দুই বন্ধুর সহমিলে জয় এসেছে, দল কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে, এটাই তৃপ্তি দিয়েছে দুজনকে। এখানেই শেষ নয়, কোয়ার্টার ফাইনালের যুদ্ধে ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার আগে ফের নতুন করে পরিকল্পনা কষতে হবে উরুগুয়েকে।
এবার অন্য দল, অন্য লড়াই। জয়ের তাগিদ থেকেই উরুগুয়ে ফ্রান্সের দৌড় থামানোর চেষ্টা করবে এবার। যে দৌড় আর্জেন্তিনাকে ফালাফালা করে দিয়েছে, সেই এমবাপের জন্য নতুন দাওয়াইয়ের খোঁজ নিশ্চয় এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছেন তাবারেজ।