
প্রথম গ্র্যান্ড প্রিক্স সোনা
২০১৩ সালে তখনও সিন্ধু এক টিন-এজার। সেই অল্প বয়সেই অত্যন্ত পরিণত ব্য়াডমিন্টন খেলে তিনি সেই বছর মালয়েশিয়া ওপেনে সিঙ্গাপুরের জুয়াম গু-কে হারিয়ে কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড প্রিক্স সোনা জেতেন। এরপর ওই বছরই ম্যাকাও ওপেন গ্র্যান্ড প্রিক্সেও তিনি চ্যাম্পিয়ন হন।

বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ইতিহাস
২০১৪ সালেই তিনি ব্যাডমিন্টন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে চিনের ওয়াম সিক্সিয়ান-কে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পদক পান। এটিই ছিল প্রথম ভারতীয় মহিলা সিঙ্গস খেলোয়াড়ের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথম পদক। শুধু তাই নয় এই প্রতিযোগিতায় পরের বছরও তিনি ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। ওর সঙ্গে ২০১৫ সালে সিন্ধু উবের কাপ, এশিয়ান গেমস, কমনওয়েল্থ গেমস ও এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপেও ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন।

বড় সাফল্য
মালয়েশিয়া মাস্ট্রার্স গ্যান্ড প্রিক্স জিতে ২০১৬ সালটা শুরু করেছিলেন সিন্ধু। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর কেরিয়ারের অন্যতম বড় সাফল্য আসে ওই বছরের রিও অলিম্পিকে। ফাইনালে স্পেনের ক্যারোলিনা মারিনের কাছে পরাজিত হলেও তিনি প্রথম ভারতীয় মহিলা সিঙ্গল ব্য়াডমিন্টন খেলোয়াড় হিসেবে অলিম্পিকে রৌপ্য পদক জেতেন।

প্রথম সুপার সিরিজ টাইটেল
২০১৬ বছরটা সিন্ধুর কেরিয়ারে ছিল স্বপ্নের মতো। অলিম্পিকে রূপো জিতে ইতিহাস গড়ার পর, চায়া ওপেনে তিনি চিনের সুন ইউ-কে হারিয়ে জাবনের প্রথম সুপার সিরিজ খেতাব জেতেন। তবে হংকং সুপার সিরিজের ফাইনালে তাঁকে চিনা তাইপেই-এর তাই জু ইং-এর বিরুদ্ধে হারতে হয়।

ক্রমতালিকায় দ্বিতীয়
একের পর এক সাফল্য ২০১৭ সালের শুরুতেই সিন্ধুকে বিশ্ব ব্য়াডমিন্টনের ক্রমতালিকার প্রথম পাঁচে পৌঁছে দিয়েছিল। ইন্ডিয়া ওপেনের ফাইনালে ক্যারোলিনা মারিনকে হারিয়ে অক্টোবর মাসে তিনি ক্রমতালিকার দ্বিতীয় স্থানেও পৌঁছে গিয়েছিলেন। এই বছর ওকুাহারাকে পরাজিত করে তিনি প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে কোরিয়া ওপেনও জেতেন। তবে এই বছরটি সিন্ধুর কেরিয়ারের স্মরণীয় হয়ে থাকবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওকুহারার বিরুদ্ধে ম্য়াচটির জন্য। শেষ পর্যন্ত পরাজিত হতে হলেও ১৯-২২, ২২-২০, ২০-২২ ফলের হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচটি ব্যাডমিন্টনের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ম্য়াচ হিসেবে দেখা হয়।
|
শেষ হাসি
২০১৮ সালটা সিন্ধুর বছর হতে পারত। কিন্তু একের পর এক প্রতিযোগিতায় তিনি ফাইনালে উঠেও পরাজিত হয়েছেন। ইন্ডিয়া ওপেন, কমনওয়েল্থ গেমস, থাইল্যান্ড ওপেন, বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ - সব প্রতিযোগিতার চিত্রনাট্য একই ছিল। ক্রমতালিকাতেও তিনি নেমে গিয়েছেন ৬ নম্বরে। কিন্তু, বছরের শেষে ব্যাডমিন্টনের সবচেয়ে সম্মানজনক প্রতিযোগিতা বিডব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালস-এ জিতে তিনিই শেষ হাসিটা হাসলেন।


Click it and Unblock the Notifications




















